‘সমাজ সংস্কার’-এর নামে গ্রামে নোটিশ জারি গানবাজনা বন্ধের ঘোষণা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি গ্রামে ‘সমাজ সংস্কার’-এর কথা বলে গানবাজনা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করেছিল স্থানীয় একটি জামে…
মেলবোর্ন, ১৩ জানুয়ারি: আইসিসির সর্বশেষ নিরাপত্তা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালে ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের জন্য কোনো নির্দিষ্ট বা অতিরিক্ত নিরাপত্তা হুমকি নেই। আইসিসি এই মূল্যায়নটি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নিরাপত্তা টিমের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছে।
আইসিসির অভ্যন্তরীণ এই প্রতিবেদনে বলা হয়, সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ দলের জন্য কোনো বড় ধরনের ঝুঁকি নেই। তবে কিছু ভেন্যুতে ঝুঁকির মাত্রা ‘কম থেকে মাঝারি’, আর অন্যগুলোতে ‘কম থেকে শূন্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো আইসিসির নিয়মিত শ্রেণিবিন্যাসের অংশ, যা সাধারণত ম্যাচ সরানোর মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যথেষ্ট কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় না।
এই নিরাপত্তা মূল্যায়নের বিষয়টি সামনে আসে, যখন সোমবার বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেন যে আইসিসির রিপোর্টে ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ দলের খেলতে অসুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আইসিসি তিনটি বিষয়কে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে দেখিয়েছে—মুস্তাফিজুর রহমানের দলে থাকা, ভারতে বাংলাদেশের সমর্থকদের দলীয় জার্সি পরা এবং বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন।
এ বিষয়ে নজরুল বলেন,
“যদি আইসিসি আশা করে আমরা আমাদের সেরা বোলার ছাড়া দল গড়ব, আমাদের সমর্থকেরা বাংলাদেশের জার্সি পরতে পারবে না এবং আমরা নির্বাচন স্থগিত করব ক্রিকেট খেলতে, তবে এর চেয়ে অবাস্তব ও অযৌক্তিক কিছু হতে পারে না।”
তবে ইএসপিএনক্রিকইনফো জানিয়েছে, আইসিসি এই মন্তব্যগুলোকে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সম্ভাব্য পরিস্থিতির আলোচনার ভুল ব্যাখ্যা হিসেবে দেখছে। আইসিসির মূল্যায়নে কোথাও বলা হয়নি যে দল নির্বাচনে শর্ত দেওয়া হয়েছে, সমর্থকদের জার্সি পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিংবা বাংলাদেশের নির্বাচন স্থগিত করার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে বিসিবি এবং বাংলাদেশের আরেক সরকারি কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেছেন, এই নিরাপত্তা মূল্যায়নটি বাংলাদেশের ম্যাচ অন্যত্র সরানোর আনুষ্ঠানিক অনুরোধের জবাব নয়। বিসিবি এক বিবৃতিতে জানায়,
“আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগ ও বিসিবির মধ্যে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের অংশ হিসেবে এই মূল্যায়ন করা হয়েছে। এটি ম্যাচ স্থানান্তরের বিষয়ে আইসিসির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়।”
বিসিবি আরও জানায়, তারা এখনও ভারতের বাইরে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজনের অনুরোধে আইসিসির আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় আছে।
বর্তমানে আইসিসির অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। ম্যাচ সূচি চূড়ান্ত ও প্রকাশিত হয়েছে এবং সব দলকে তা মেনে খেলতে হবে। সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বের প্রথম তিনটি ম্যাচ খেলবে কলকাতায় এবং শেষটি মুম্বাইয়ে।
সমস্যা শুরু হয় যখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) আইপিএল ২০২৬–এর দল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে মুস্তাফিজুর রহমানকে স্কোয়াড থেকে বাদ দিতে নির্দেশ দেয়। এর কোনো আনুষ্ঠানিক কারণ জানানো হয়নি, তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এরপরই বাংলাদেশ সরকার দেশে আইপিএল সম্প্রচার নিষিদ্ধ করে এবং বিসিবি আইসিসিকে চিঠি দিয়ে জানায়, তারা ভারতে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে রাজি নয়।
২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে আয়োজন করবে এবং টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার কথা ৭ ফেব্রুয়ারি।
Source-www.espn.com.au/cricket/story/
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au