চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১৪ জানুয়ারি: মার্কিন রাজনীতিতে উত্তেজনার মধ্যেই ফের বিতর্কে জড়ালেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিশিগানের একটি ফোর্ড গাড়ি কারখানা পরিদর্শনের সময় এক কর্মীর কটূক্তিতে ক্ষুব্ধ হয়ে ক্যামেরার সামনে তাকে মিডল ফিঙ্গার প্রদর্শন করতে দেখা গেছে ট্রাম্পকে।
ঘটনাটি ঘটে ফোর্ডের F-150 গাড়ি সংযোজন কারখানায়। ট্রাম্প তখন কারখানার উপরের একটি তলায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। নিচ থেকে এক কর্মী তাকে উদ্দেশ করে চিৎকার করে বলেন,
“পেডোফাইল প্রোটেক্টর!” (শিশু নির্যাতনকারীদের রক্ষক)
ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রাম্প ওই কর্মীর দিকে আঙুল তুলে কিছু একটা বলছেন, যা দেখে মনে হয় তিনি অশালীন ভাষা ব্যবহার করছেন। এরপর তিনি হেঁটে চলে যাওয়ার সময় কর্মীর দিকে মধ্যমা দেখান। অন্য একজন কর্মী তখন উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে “উইইইই!” বলে চিৎকার করেন।
এই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এই ঘটনার পেছনে রয়েছে আরও একটি বিতর্ক। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিন সংক্রান্ত সব নথি প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, হঠাৎ করে আরও লাখ লাখ নথি পাওয়া গেছে, যেগুলো যাচাই করতে সময় লাগছে। বছরের শুরু থেকে এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি, যা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সমালোচনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ১২ হাজার থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে। যদিও এ সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি, তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন সূত্রও বলছে, নিহতের সংখ্যা আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি।
ট্রাম্প ইরানের বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন,
“ইরানি দেশপ্রেমিকরা, আন্দোলন চালিয়ে যান – প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করুন। সাহায্য আসছে!”
তিনি আরও বলেন, ইরানের শাসকরা ‘দানব’ এবং “মেক ইরান গ্রেট অ্যাগেইন” স্লোগানও ব্যবহার করেন।
খবরে বলা হচ্ছে, ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা দল আজ ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাব্য বিকল্পগুলো নিয়ে বৈঠকে বসতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তাবিত নতুন ঘৃণাত্মক বক্তব্য আইন নিয়েও কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই আইন উগ্রবাদীদের ছাড় দিতে পারে, অথচ সাধারণ মতপ্রকাশকে শাস্তির আওতায় আনতে পারে, যা ‘গভীরভাবে ’ উল্টা ফল ডেকে আনবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au