চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১৯ জানুয়ারি- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠিতে জানিয়েছেন, তিনি আর “শুধু শান্তির কথা ভাবার” বাধ্যবাধকতা অনুভব করছেন না। এর কারণ তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি। সেই সঙ্গে তিনি আবারও গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ দাবি করেছেন।
রয়টার্সের কাছে পাওয়া চিঠিতে দেখা যায়, এটি আসে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোয়ের এবং ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব্বের সংক্ষিপ্ত বার্তার প্রতিক্রিয়ায়। তারা ট্রাম্পকে জানিয়েছিলেন, ইউরোপের মিত্র দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তের কারণে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ দেওয়ার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।
চিঠিতে ট্রাম্প লিখেছেন, “আপনার দেশ আমাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়নি, যেখানে আমি ৮টি যুদ্ধ বন্ধ করেছি। এজন্য আমি আর শুধু শান্তির কথা ভাবার বাধ্যবাধকতা অনুভব করছি না। যদিও শান্তি সর্বদা প্রধান হবে, এখন আমি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য যা ভালো এবং উপযুক্ত, তা ভাবতে পারি।”
স্টোয়ের জানিয়েছেন, তিনি বারবার ট্রাম্পকে বলেছেন, নরওয়ের নোবেল কমিটি স্বাধীন একটি সংস্থা এবং নরওয়ের সরকার এর ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ রাখে না। ট্রাম্প প্রকাশ্যভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য প্রচারণা চালিয়েছেন। গত বছর এই পুরস্কার ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাডোকে দেওয়া হয়।
মাচাডো গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পকে তার স্বর্ণপদক প্রদান করেন। তবে নরওয়ের নোবেল কমিটি জানিয়েছে, পুরস্কার হস্তান্তর, ভাগ করা বা বাতিল করা যায় না।
চিঠিতে ট্রাম্প আবারও ডেনমার্কের গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত সার্বভৌমত্ব প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। তিনি বলেছেন, “ডেনমার্ক রাশিয়া বা চীন থেকে সেই ভূমি রক্ষা করতে পারে না। তারা কেন ‘মালিকানার অধিকার’ দাবি করছে?” তিনি আরও বলেন, “কোনও লিখিত দলিল নেই, শুধু শত বছর আগে একটি জাহাজ সেখানে পৌঁছেছিল, কিন্তু আমাদেরও জাহাজ সেখানে পৌঁছেছে। বিশ্ব নিরাপদ নয় যদি আমরা গ্রিনল্যান্ডের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ না পাই।”
গ্রিনল্যান্ড হচ্ছে ডেনমার্কের অংশ হলেও স্বায়ত্তশাসিত একটি বিশাল, খনিজসম্পদসমৃদ্ধ আর্কটিক দ্বীপ।
সূত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au