সাংবাদিক রেজানুরের গ্রেফতারে কিউআরএস’র উদ্বেগ
মেলবোর্ন, ২২ জুন- স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ও দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোহাম্মদ রেজানুর ইসলামের গ্রেফতার…
মেলবোর্ন, ৩ ফেব্রুয়ারি- দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক তিক্ততা ও যুদ্ধের আশঙ্কার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে এই বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, মিসর, কাতার, তুরস্ক ও ওমানের ধারাবাহিক কূটনৈতিক তৎপরতা এবং মধ্যস্থতার ফলেই এই বৈঠকের আয়োজন সম্ভব হয়েছে।
ইস্তাম্বুলের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। অপরদিকে ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। বৈঠকে সৌদি আরব, মিসর ও তুরস্কসহ মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর কর্মকর্তারাও উপস্থিত থাকবেন।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় থাকবে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি। এই ইস্যু ঘিরে প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। গত বছরের জুনে এই প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। ১২ দিন স্থায়ী সেই সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস কাটেনি।
এর মধ্যেই চলতি বছরের জানুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের নৌবহর মোতায়েনের নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তোলে। তখন থেকেই নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
এই প্রেক্ষাপটে ১ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তিনি ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদী। একই দিনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি জানান, কয়েকটি মিত্র দেশ দুই পক্ষের মধ্যে আস্থা তৈরির চেষ্টা করছে।
আরাগচি বলেন, আলোচনার পথ সহজ নয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি একটি সুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গত প্রস্তাব নিয়ে আসে, তাহলে নতুন করে সংলাপের সুযোগ তৈরি হতে পারে। ইস্তাম্বুলের বৈঠক সেই সম্ভাবনাকেই বাস্তব রূপ দিতে পারে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
সূত্র : এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au