সাংবাদিক রেজানুরের গ্রেফতারে কিউআরএস’র উদ্বেগ
মেলবোর্ন, ২২ জুন- স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ও দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোহাম্মদ রেজানুর ইসলামের গ্রেফতার…
মেলবোর্ন, ৫ ফেব্রুয়ারি- নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় কওয়ারা রাজ্যের একটি গ্রামে সশস্ত্র বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ৬৭ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির রেড ক্রস জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ হামলার পর এখনো কয়েকজন বাসিন্দা নিখোঁজ রয়েছেন।
কওয়ারা রাজ্যে নিযুক্ত রেড ক্রসের সেক্রেটারি বাবামো আইয়োদেজি বুধবার বলেন, এখন পর্যন্ত ৬৭ জনের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। তবে হামলার সময় অনেক মানুষ পালিয়ে যাওয়ায় এবং কিছু এলাকা এখনও পুরোপুরি তল্লাশি না হওয়ায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাইয়ামা অঞ্চলের ওরো গ্রামে এই হামলা হয়। স্থানীয় আইনপ্রণেতা বাবা আহমেদ জানান, সন্ধ্যা প্রায় ৬টার দিকে সশস্ত্র বন্দুকধারীরা গ্রামে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালায়। হামলাকারীরা দোকানপাট ও স্থানীয় রাজার বাসভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। আতঙ্কে গ্রামবাসীর অনেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঝোপঝাড় ও আশপাশের এলাকায় পালিয়ে যান। সেখানে আরও মৃতদেহ পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
হামলার পর থেকে গ্রামটির ঐতিহ্যবাহী রাজার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা সাধারণত ওই রাজার প্রশাসনিক কর্তৃত্বের অধীনেই বসবাস করেন বলে জানা গেছে।
নাইজেরিয়ার কিছু অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই সশস্ত্র গোষ্ঠীর সহিংসতায় বিপর্যস্ত। স্থানীয়ভাবে ‘বান্ডিট’ নামে পরিচিত এসব গোষ্ঠী গ্রামগুলোতে হামলা, লুটপাট এবং মুক্তিপণের জন্য অপহরণের সঙ্গে জড়িত। একই সঙ্গে দেশের মধ্যাঞ্চলে জাতিগত সহিংসতা এবং উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জিহাদি গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতাও নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
হামলার বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ নিশ্চিত করলেও তারা এখনো নিহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানায়নি। স্থানীয় প্রশাসন এই হামলার জন্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছে।
এদিকে কওয়ারা রাজ্যের গভর্নর আব্দুল রহমান আব্দুল রাজাক এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় চলমান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের মুখে হতাশ হয়ে সন্ত্রাসীরা এ ধরনের কাপুরুষোচিত হামলা চালাচ্ছে। তিনি হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
হামলার পর গ্রামটিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান চলছে।
সুত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au