৯ গোলের রোমাঞ্চে কাঁপল প্যারিস, বায়ার্নকে হারাল পিএসজি
মেলবোর্ন, ২৯ এপ্রিল- চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ৯ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখকে ৫-৪ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে গেছে ফরাসি জায়ান্ট…
মেলবোর্ন, ৫ ফেব্রুয়ারি- যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ও রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে চাপের মুখেও ভারত যে আপসের পথে হাঁটেনি, সে দাবি উঠেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে।
ওই বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের ধারাবাহিক হুমকি ও শুল্কচাপের জবাবে নয়াদিল্লি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে- ধমক-ধামকে বাণিজ্য চুক্তি হবে না, প্রয়োজনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে ভারত।
এই প্রেক্ষাপটেই সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর ঘোষণা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে ভারতীয় পণ্যের ওপর কার্যকর থাকা ৫০ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনছে। এ ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী মোদিও।
তবে ব্লুমবার্গের দাবি, বাস্তবে ভারত কোনো অনুরোধ বা চাপের কাছে নতি স্বীকার করেনি। বরং ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র যখন রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে ভারতকে চাপ দিচ্ছিল এবং শুল্কের বোঝা বাড়িয়ে চাপে রাখার চেষ্টা করছিল, তখন ভারত কঠোর অবস্থান নেয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর মধ্যে একটি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে ডোভাল যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, হুমকি বা ভয় দেখিয়ে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি আদায় করা যাবে না। প্রয়োজনে ভারত ট্রাম্প প্রশাসনের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে প্রস্তুত।
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক উচ্চপদস্থ সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ডোভাল রুবিওকে বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে হলে চাপ নয়, পারস্পরিক সম্মান ও সমঝোতার পথেই এগোতে হবে। তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, ভারত অতীতেও কঠোর মার্কিন প্রশাসনের মুখোমুখি হয়েছে এবং সেসব পরিস্থিতি সামলেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ওই সময় ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে শুল্ক ইস্যুতে ভারতের ওপর প্রকাশ্য তর্জন-গর্জন চলছিল। কিন্তু ভারত যে সে ধরনের ‘দাদাগিরি’ মেনে নেবে না, তা স্পষ্ট করে দেন ডোভাল।
যদিও এই কথোপকথন নিয়ে এখনো পর্যন্ত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
তবে শুল্ক কমানোর সাম্প্রতিক ঘোষণার পর এই প্রতিবেদন ঘিরে কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে-কড়া অবস্থান নিয়েই কি শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনকে নরম করতে পেরেছে নয়াদিল্লি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au