মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন, ১০ ফেব্রুয়ারি- চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের বন্দর শাখার সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম খোকনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় বন্দর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ জানান, র্যাবের একটি দল ইব্রাহীম খোকনকে আটক করে বন্দর থানায় হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরও জানান, একই ঘটনার সূত্র ধরে এর আগেও পাঁচজনকে আটক করা হয়েছিল।
এর আগে রবিবার দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের পক্ষে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বন্দরে চলমান ধর্মঘট সোমবার সকাল ৮টা থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের দুই সমন্বয়ক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর ও ইব্রাহীম খোকনের স্বাক্ষর ছিল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে পাঁচটি দাবি বা সমস্যার সমাধান না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে আন্দোলন শুরু করে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। প্রথমে তিন দিন প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করা হয়। এরপর গত মঙ্গলবার থেকে টানা কর্মসূচি শুরু হয়। বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর আন্দোলন দুই দিনের জন্য স্থগিত করা হলেও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ তুলে রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে সোমবার সকাল ৮টা থেকে সেই ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
আন্দোলনের শুরুতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ব্যানারে কর্মসূচি পালিত হলেও পরবর্তীতে ইব্রাহীম খোকন ও মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীরের নেতৃত্বে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে আন্দোলন জোরদার হয়।
এদিকে ইব্রাহীম খোকনকে আটকের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি দাবি করে, প্রশাসন শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ এড়িয়ে শ্রমিকদের বারবার সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, একদিন আগে বন্দরের পাঁচজন শ্রমিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এর পরদিনই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ককে আটক করা হলো। যখন অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর বন্দরের কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছিল, তখন প্রশাসনের এমন পদক্ষেপ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে সন্দেহ ও উদ্বেগ তৈরি করেছে।
স্কপের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব ঘটনায় স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, একটি মহল ইচ্ছাকৃতভাবে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিস্থিতি অশান্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহারসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au