শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান কমিটির পদত্যাগ
মেলবোর্ন, ২৯ এপ্রিল- সরকারের নির্দেশনার পর পদত্যাগ করেছেন শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড–এর বর্তমান কমিটির সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিশেষ সভা ডেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান…
মেলবোর্ন, ১২ফেব্রুয়ারি- বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে আয়োজিত এক কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে দেশের নির্বাচন ও সংখ্যালঘু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বক্তাদের কেউ কেউ আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে “প্রশ্নবিদ্ধ” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
সোমবার অনুষ্ঠিত এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে ‘হিন্দুঅ্যাকশন’ ও ‘কোয়ালিশন অব হিন্দুজ অব নর্থ আমেরিকা’। আলোচনার মূল বিষয় ছিল—“বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা”।
ভার্জিনিয়ার ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান সুহাস সুব্রমনিয়ম বলেন,
“বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সহিংসতা বেড়ে যাওয়াটা মানা যায় না। একইভাবে দেশটির সবচেয়ে পুরনো এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে যে নির্বাচনের চেষ্টা চলছে, তা ঠিক হচ্ছে না। এ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধই থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রশ্নে কেবল বিবৃতি নয়, কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
মিশিগানের রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান টম ব্যারেট বলেন,
“ইসলামিক চরমপন্থিরা দেশে দেশে অস্থিরতা তৈরি করছে। ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে কেউ আক্রান্ত বা নিহত হোক—তা সমর্থনযোগ্য নয়। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র বদ্ধপরিকর।”
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক মাইকেল রুবিন ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণার পক্ষে মত দেন। তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মের আড়ালে দলটি রাজনৈতিক ও সহিংস কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছে।
রুবিন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে “অগ্রহণযোগ্য” বলেও মন্তব্য করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিভিন্ন বক্তা। সাউথ এশিয়ান মাইনোরিটিজ কালেক্টিভের প্রেসিডেন্ট প্রিয়া সাহা বলেন,
“বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের কোনো নিরাপত্তা নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনেই সহিংসতা ঘটছে।”
বাংলাদেশের গণমাধ্যম পরিস্থিতি তুলে ধরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন দাবি করেন, প্রায় ৩০০ সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে এবং আটক সাংবাদিকদের মুক্তির আহ্বান জানান।
ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ স্যামুয়েল ব্রাউনব্যাক। তিনি বলেন,
“সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হলে তার প্রভাব শুধু রাজনীতিতে নয়, অর্থনীতিতেও পড়ে। গণতন্ত্র তখন বিশ্বাসযোগ্য থাকে না।”
ব্রিফিংয়ে নিউ জার্সির সিনেটর কোরি বুকার, ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান মাইক লেভিন, ইয়ং কিম ও ডেভিড মিনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন থিংক ট্যাংকের কর্মকর্তা, বিশ্লেষক ও প্রবাসী সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দ্বীজেন ভট্টাচার্যসহ অন্যান্য অতিথিরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au