বাংলাদেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

টিআইবি রিপোর্টে উঠে এলো নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও জাল ভোটের চিত্র

জাল ভোটের হার ছিল ২১ দশমিক ৪ শতাংশ, প্রতিপক্ষের এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে ১৪.৩ শতাংশ ক্ষেত্রে।

  • 7:21 pm - February 16, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৮২ বার
টিআইবি রিপোর্টে উঠে এলো নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও জাল ভোটের চিত্র। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ১৬ ফেব্রুয়ারি- সদ্য অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নানা ধরনের অনিয়ম, জাল ভোট এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের চিত্র স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সাম্প্রতিক গবেষণায়। সংস্থার “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ” শীর্ষক প্রতিবেদনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ভোটগ্রহণ এবং নির্বাচনের পরবর্তী সময় পর্যন্ত ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনিয়ম, প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা ও রাজনৈতিক প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে।

আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে এই নির্বাচন ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক হল কি না’ এ নিয়ে আরো প্রশ্ন উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন ইফতেখারুজ্জামান।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে সংস্থার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানান, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক হলেও মাঠ পর্যায়ে ভয়াবহ অনিয়ম এবং প্রশাসনের কার্যকারিতার সীমাবদ্ধতা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন যথাসম্ভব নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করেছে, কিন্তু সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে নানা ধরনের অনিয়ম এবং আচরণবিধি লঙ্ঘন পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়নি।”

আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এক সাংবাদিক।

জবাবে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “তৃণমূল পর্যায়ে অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ধানের শীষ বা দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে বলেছিলেন। তারা ভোট দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের শতভাগ নেতাকর্মী ভোট দেননি এটা বলার সুযোগ নেই। আমাদের দৃষ্টিতে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক, অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়েছে।”

আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক হল কি না’ এ নিয়ে আরো প্রশ্ন উঠবে বলে মন্তব্য করেন ইফতেখারুজ্জামান।

ভোটগ্রহণ ও মাঠ পর্যায়ের অনিয়ম

ভোটগ্রহণের দিন পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক। জাল ভোটের হার ছিল ২১ দশমিক ৪ শতাংশ, প্রতিপক্ষের এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে ১৪.৩ শতাংশ ক্ষেত্রে। ব্যালটে আগে থেকেই সিল মারা হয়েছে, বুথ দখল এবং ভোট কেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটেছে। ভোটারদের হুমকি দিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা ৪৬ শতাংশ, নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে ৩৫.৭ শতাংশ। ৯৯ শতাংশ প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে বড় পোস্টার ছাপানো, দেয়ালে লিখন, শোভাযাত্রা করে রাস্তা বন্ধ করা এবং সরকারি ডাকবাংলো ব্যবহার করা।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও সীমাবদ্ধতা

টিআইবি প্রতিবেদনে নির্বাচনে কমিশনের কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিশেষ করে পর্যবেক্ষক নিবন্ধন প্রক্রিয়া ছিল অনিয়মে ভরা। অভিজ্ঞ ও নিরপেক্ষ সংস্থার পরিবর্তে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত কিছু প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত উপদেষ্টা সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত প্রতিষ্ঠানকেও পর্যবেক্ষক হিসেবে নাম দেওয়া হয়েছে, যা স্বার্থের সংঘাত সৃষ্টি করেছে। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের খরচও কমিশন বহন করেছে, যা পূর্বের খারাপ অভ্যাসের পুনরাবৃত্তি হিসেবে দেখা হয়েছে।

নতুন দলগুলোর নিবন্ধনও স্বচ্ছতার বাইরে ছিল। মাঠ পর্যায়ে যাচাইবাছাই ছাড়াই কিছু নতুন দলকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, যদিও তাদের পক্ষে ভোটারের স্বাক্ষর ও সমর্থন ছিল। এই প্রক্রিয়ায় দেখা দিয়েছে নির্বাচনে সমান সুযোগের অভাব।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করেছে, কিন্তু রাজনৈতিক সংঘাত এবং আচরণবিধি লঙ্ঘন প্রতিরোধে ক্ষমতার কার্যকর প্রয়োগ অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব হয়নি।”

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ

রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ডে গণতন্ত্রের চেয়ে ক্ষমতার ব্যবহার বেশি লক্ষ্য করা গেছে। দলের ত্যাগী ও যোগ্য নেতাদের বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে বা স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে দলের ভেতরে বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি এবং বিরোধ দেখা গেছে। ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও ও ছবি তৈরি করা হয়েছে, এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে ভোটার বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ছড়িয়ে প্রচারণায় বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এটি প্রমাণ করে যে নির্বাচনে নারীর অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করার প্রবণতা ছিল।

  • জাল ভোটের হার ছিল ২১.৪ শতাংশ।

  • প্রতিপক্ষের এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে ১৪.৩ শতাংশ ক্ষেত্রে।

  • ভোটের আগে ব্যালটে সিল দেওয়ার ঘটনা হয়েছে ১৪.৩ শতাংশ কেন্দ্রে।

  • প্রার্থীদের ৯৯ শতাংশই আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।

  • ভোটারদের হুমকি দিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ার হার ৪৬ শতাংশ, নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করার হার ৩৫.৭ শতাংশ।

  • নির্বাচনী ব্যয়ের সীমা ব্যাপকভাবে লঙ্ঘন হয়েছে; প্রার্থীরা গড়ে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার বেশি খরচ করেছেন।

  • সরকারি ও গণমাধ্যমের পক্ষপাত স্পষ্ট; বিটিভির সংবাদ প্রচারে বিএনপির জন্য ৫৯% সময় বরাদ্দ ছিল।

  • নির্বাচনের দিন এবং পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, সংখ্যালঘু ভোটারদের ভয় দেখানো হয়েছে।

  • ভোটার অংশগ্রহণ ৬০ শতাংশ, যা প্রত্যাশার তুলনায় কম।

  • জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে ২৩৬ জন কোটিপতি এবং ১৩ জন শতকোটিপতি; গড় বয়স ৫৯ বছর।

অর্থের ব্যবহার ও নির্বাচনী ব্যয়

নির্বাচনে অর্থের অবৈধ ব্যবহার ব্যাপকভাবে লক্ষ্য করা গেছে। প্রার্থীরা গড়ে নির্ধারিত সীমার চেয়ে ১৬৯.৫ শতাংশ বেশি ব্যয় করেছেন, কখনও কখনও নির্ধারিত সীমার তিনগুণ পর্যন্ত বেশি। অনেক প্রার্থী ভোটার প্রভাবিত করতে নগদ টাকা বিতরণ করেছেন। এই সময় বেশ কিছু নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছেন। সর্বোচ্চ ব্যয় হয়েছে বিএনপি, স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে। গড় খরচ হয়েছে প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যেখানে বৈধ সীমা অনেক কম।

সরকারি ও গণমাধ্যমের পক্ষপাত

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বিটিভি সংবাদ প্রচারে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। সম্প্রচারের ৫৯ শতাংশ সময় বিএনপির জন্য বরাদ্দ ছিল, ২১ শতাংশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর জন্য, অন্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রায় উপেক্ষিত রাখা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা নিয়ম ভেঙে সরাসরি দলীয় প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক এবং সরকারি কর্মকর্তারা রাজনৈতিক কার্যক্রমে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ব্যাহত করেছে।

সহিংসতা ও ভোটারদের ভয়

নির্বাচনকালীন রাজনৈতিক সংঘর্ষে বহু মানুষ আহত হয়েছেন। সংখ্যালঘু ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং ভয় দেখানো হয়েছে। নির্বাচনের পরও প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ও ব্যবসায় হামলা এবং চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে।

ভোটার অংশগ্রহণ ও ফলাফল

ভোটের হার ছিল ৬০ শতাংশ, যা প্রত্যাশিত তুলনায় কম। জাল ভোট, ভোটে বাধা এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে অনেকে ভোটে অংশ নিতে অনাস্থা প্রকাশ করেছেন। জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে ২৩৬ জন কোটিপতি, ১৩ জন শতকোটিপতি। গড় বয়স ৫৯ বছর। বয়সভিত্তিক হার: ২৫–৩৪ বছর ৩ শতাংশ, ৩৫–৪৪ বছর ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ, ৪৫–৫৪ বছর ১৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ, ৫৫–৬৪ বছর ৩৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং ৬৫ বছরের বেশি ৩৬ দশমিক ৩ শতাংশ। প্রথমবার সংসদে প্রবেশ করেছেন ২০৯ জন। সম্ভাব্য সংসদ নেতা ও বিরোধী দলীয় নেতা— দুজনই প্রথমবার সংসদে যাচ্ছেন।

সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবার জন্য সমান সুযোগ এবং ভোটারদের নিরাপদ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী পদক্ষেপ প্রয়োজন। নির্বাচনের সময় দেখানো ভয়, অনিয়ম এবং জাল ভোটের ঘটনা ভবিষ্যতের নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, “নির্বাচন তুলনামূলকভাবে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য এবং প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং আমাদের পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েনি। তবে আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে নির্বাচনের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন উঠবে। আমাদের পর্যবেক্ষণ মতে, নির্বাচন প্রার্থীদের অধিকাংশ আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যেও গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “বিএনপির ঋণগ্রস্ত প্রার্থীদের বিষয়টি উঠেছে। তবে আইন অনুযায়ী তারা ঋণ খেলাপি নন। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করেছে, তবে কিছু দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সীমাবদ্ধতা থাকায় সব অনিয়ম প্রতিরোধ সম্ভব হয়নি।”

এই শাখার আরও খবর

এশিয়ান কাপ শেষে ইরানে ফেরা নিয়ে শঙ্কায় নারী ফুটবলাররা, অস্ট্রেলিয়ায় সুরক্ষার দাবি জোরালো

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ: ২০২৬ নারী এশিয়ান কাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় থাকা ইরানের নারী ফুটবল দলকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকারকর্মী, ইরানি-অস্ট্রেলীয় কমিউনিটি এবং খেলোয়াড়দের অধিকার…

তেহরান ও ইসফাহানে ইসরায়েলের নতুন দফায় ‘ব্যাপক’ বিমান হামলা

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের রাজধানী তেহরান ও গুরুত্বপূর্ণ শহর ইসফাহানে নতুন দফা ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী…

প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চাইলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট, হামলা স্থগিতের ঘোষণা

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোর উদ্দেশে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, ইরানের অন্য কোনো দেশে আগ্রাসন চালানোর…

আংশিক খুলছে কাতারের আকাশপথ, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংকারে লাখো ইসরায়েলি

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে কাতার সীমিত পরিসরে তাদের আকাশপথ আবার খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।…

সমাধানের পথ নেই, বাংলাদেশের সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতি

মেলবোর্ন, ০৭ মার্চ- ইরানের সাথে ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের যুদ্ধে বাংলাদেশ নেই। কিন্তু সেই যুদ্ধের রেশ সবচেয়ে বেশি যেসব দেশে পড়েছে বাংলাদেশ তার…

ব্যাংক হিসাবের বাইরে রয়েছে গোপন সম্পদ? প্রশ্নের মুখে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

মেলবোর্ন ৭ মার্চ: অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সেই উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে এখন দুর্নীতি,…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au