ইরানের নতুন শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ করবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
শ্যামল সান্যাল,ঢাকা মেলবোর্ন, ৪ মে- ইরানের নতুন শান্তি প্রস্তাব পর্যালোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রস্তাবটি গ্রহণযোগ্য হবে কি না, তা নিয়ে…
মেলবোর্ন, ১৮ ফেব্রুয়ারি- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাম্প্রতিক নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেটি পর্যালোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, দেশের দুই তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা–কে আবারও জাতীয় ক্রিকেটে ফিরিয়ে আনতে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার রাতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সাকিব ও মাশরাফির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। সে সময় সাকিবের দেশে ফেরা নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। যদিও তিনি এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নেননি এবং দেশে ফিরে বিদায় নেওয়ার ইচ্ছার কথাও একাধিকবার জানিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সাকিব ও মাশরাফি দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। তাদের অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই। যেহেতু তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, বিষয়টি রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে তারা যেন আবার দেশের ক্রিকেটে ফিরতে পারেন, সেই চেষ্টা থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, আইনি জটিলতা নিরসনের পর ক্রিকেট–সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। “আমরাও চাই, বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিব-মাশরাফি ফিরে আসুক। তাদের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব তরুণদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ,” যোগ করেন তিনি।
বিসিবি নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি আগেও বলেছি, বিসিবির নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। বিষয়টি আমরা পর্যালোচনা করবো। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসে আলোচনা হবে। আমরা চাই ক্রিকেট প্রশাসন স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হোক।”
তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রয়োজন হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই সংশোধনী বা কাঠামোগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ক্রিকেট বোর্ডের কার্যক্রমকে আরও জবাবদিহির আওতায় আনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
ভারতের সঙ্গে ক্রীড়া কূটনীতি
ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান ক্রীড়া ও কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আলোচনায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমস্যা সমাধানের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। ক্রীড়াঙ্গনের যেকোনো সমস্যা বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা হবে। ক্রিকেটের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের নিয়ম মেনেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের অধীনে ক্রিকেট প্রশাসন ও সাবেক তারকাদের ভূমিকা নিয়ে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা দেশের ক্রিকেটে নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে। বিশেষ করে সাকিব ও মাশরাফির মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে এখন ক্রীড়াঙ্গনে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au