আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ১৮ ফেব্রুয়ারি- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
সরকারপ্রধান হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এটিই ছিল তার প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি। শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য, ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং দলীয় নেতারা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।
স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে তার। দুপুরে তিনি সচিবালয়ে পৌঁছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রাথমিক ব্রিফিং নেবেন বলে জানা গেছে।
বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হবে নবগঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। এই বৈঠকে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মপরিকল্পনা, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস এবং চলমান নীতিগত সিদ্ধান্তগুলো পর্যালোচনা করা হতে পারে। একই দিনে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের, অর্থাৎ সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে বসারও কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে তিনি সরাসরি সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়ের উদ্যোগ নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন–এর দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর নতুন সরকারের মন্ত্রীরা এবং পরে প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। বিকেল চারটার পর শুরু হওয়া এ আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হয়। প্রায় দুই যুগ পর আবারও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলো।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। জোটের শরিক দলগুলো আরও তিনটি আসন পায়।
নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু হয়। নতুন মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ ও নবীন নেতৃত্বের সমন্বয় রাখা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের সামনে অর্থনীতি, প্রশাসনিক সংস্কার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কসহ নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোকে প্রতীকীভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন অনেকে। এখন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক এবং সচিবদের সঙ্গে আলোচনায় সরকারের অগ্রাধিকার স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au