মনজিল মোরসেদ, ছবি: সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ২৫ ফেব্রুয়ারি- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের পদকে ব্যক্তিগত আর্থিক উপার্জনের হাতিয়ার বানানোর অভিযোগে মনজিল মোরসেদ বলেছেন, এই ধরনের অভিযোগের যথাযথ ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। তিনি মনে করিয়ে দেন, তদন্তের মাধ্যমে জাতিকে নিশ্চিত করতে হবে যে চিফ প্রসিকিউটরসহ অন্যান্য প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে যেসব দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তা সত্য নয়।
মনজিল মোরসেদ আরও বলেন, যদি তদন্তে এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। নবনিযুক্ত চিফ প্রসিকিউটর ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, তিনি এসব বিষয় দেখবেন। তাই তাকে অনুসরণ করে যথাযথ তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে তিনি তিনটি সম্ভাবনার উল্লেখ করেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই কাজটি করতে পারে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন উইং-এর মাধ্যমে অথবা সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই তদন্ত করা সম্ভব।
মনজিল মোরসেদ বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম বৈশ্বিক পর্যবেক্ষণের মধ্যে থাকায়, এমন গুরুতর অভিযোগের স্বচ্ছ ও যথাযথ তদন্ত দেশের জনগণ ও আইনের শাসনে বিশ্বাসীদের আশ্বস্ত করবে।
তিনি উল্লেখ করেন, এসব অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও চিফ প্রসিকিউটরদের বিরুদ্ধে অনুরূপ অভিযোগ উঠেছে, যা কখনও গণমাধ্যমে প্রকাশ পেত, কখনও ইউটিউবে আসে। তখন ক্ষমতাসীন অবস্থার কারণে হয়তো কেউ এগিয়ে আসার সাহস পেত না। তবে অভিযোগের সত্যতা থাকলে তা গুরুতর অন্যায় হিসেবে গণ্য হবে।
অবশেষে মনজিল মোরসেদ বলেন, যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে যদি অভিযোগ প্রমাণিত না হয়, তাহলে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারাও স্বস্তি পাবেন এবং ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত হবে।