চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২৫ ফেব্রুয়ারি- বগুড়ার সদর উপজেলার সাবগ্রাম এলাকায় অবস্থিত ‘মায়ের আশ্রয়’ নামের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে সামিউল হাসান শুভ (৩৩) নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
নিহত সামিউল হাসান শুভ সদর উপজেলার কাজীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জনতা ব্যাংকের দুপচাঁচিয়া শাখায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ১৩ ফেব্রুয়ারি শুভকে ‘মায়ের আশ্রয়’ নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। তার দুলাভাই এ.টি.এম. ফরহাদ সোহাগ জানান, শুভ মাদকাসক্ত ছিলেন না। প্রায় এক মাস আগে তিনি ডাকাতির শিকার হন। সেই ঘটনার পর থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং আচরণে পরিবর্তন দেখা দেয়। চিকিৎসকের পরামর্শেই তাকে মানসিক স্থিতি ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখ) রাত ১০টার দিকে নিরাময় কেন্দ্র থেকে ফোন করে জানানো হয়, শুভর শারীরিক অবস্থা হঠাৎ খারাপ হয়ে গেছে এবং তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের দ্রুত হাসপাতালে যেতে বলা হয়। সেখানে গিয়ে তারা শুভকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
নিহতের চাচাতো ভাই তাপস অভিযোগ করেন, হাসপাতালে গিয়ে লাশের ডান হাত ও পাঁজরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তাদের ধারণা, শুভকে মারধর করা হয়েছে। তিনি বলেন, “ও মাদকাসক্ত ছিল না। চিকিৎসার নামে যদি মারধর করা হয়ে থাকে, তাহলে এর বিচার চাই।”
পরিবারের সদস্যরা আরও দাবি করেন, নিরাময় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ঘটনার বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। তারা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন।
এ বিষয়ে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তফা মঞ্জুর জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। নিরাময় কেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সেগুলো বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিরাময় কেন্দ্রের কর্মী হুমায়ুনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে কোনো গাফিলতি বা অপরাধ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au