বিশ্ব

এপস্টিন নথিতে স্টিফেন হকিংয়ের ছবি প্রকাশ

বিকিনি পরা নারীদের সঙ্গে ককটেল হাতে দেখা গেল প্রয়াত বিজ্ঞানীকে, তবে পরিবার বলছে ছবির প্রেক্ষাপট ভিন্ন

  • 9:04 pm - February 26, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১৩৭ বার
এপস্টিন নথিতে প্রকাশিত ছবিতে স্টিফেন হকিং; পরিবার বলছে নারীরা ছিলেন তাঁর কেয়ারার। Credit: Department of Justice

মেলবোর্ন, ২৬ ফেব্রুয়ারি: এপস্টিন–সংক্রান্ত নথিতে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ছবিতে প্রয়াত বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংকে বিকিনি পরা দুই নারীর সঙ্গে ককটেল পান করতে দেখা গেছে। ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, একটি উষ্ণমণ্ডলীয় দ্বীপের রিসোর্টে সান বাথের চেয়ারে বসে লাল রঙের পানীয় হাতে হাস্যোজ্জ্বল স্টিফেন হকিং। দ্য সান জানায়, ছবিটি অতীতে অনলাইনে ঘুরে বেড়ালেও সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (DOJ) প্রকাশিত এপস্টিন নথির নতুন কিস্তিতে এটি আবার সামনে এসেছে।

স্টিফেন হকিং মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং ২০১৮ সালে ৭৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দুইবার বিয়ে করেছিলেন এবং তাঁর তিন সন্তান রয়েছে।
ডেইলি মেইলকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হকিংয়ের পরিবার জানায়, ছবিতে দেখা নারীরা কোনো ‘এলোমেলো ব্যক্তি’ নন; তাঁরা ছিলেন হকিংয়ের নিয়মিত পরিচর্যাকারী (কেয়ারার)। পরিবার জানায়, ২০০৬ সালে ক্যারিবীয় দ্বীপ সেন্ট থমাসের রিটজ কার্লটন হোটেলে ছবিটি তোলা হয়, যেখানে তিনি একটি বক্তব্য দেওয়ার পর ছবির জন্য পোজ দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত সর্বশেষ নথিতে স্টিফেন হকিংয়ের নাম ২৫০ বারের বেশি উল্লেখ রয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা স্পষ্ট করেছেন, নথিতে কারও নাম থাকা মানেই কোনো অপরাধে জড়িত থাকা নয়।

উল্লেখ্য, সেন্ট থমাস যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিন আইল্যান্ডসের অংশ এবং এটি কুখ্যাত লিটল সেন্ট জেমস দ্বীপের কাছাকাছি, যা জেফরি এপস্টিনের মালিকানাধীন ছিল। দ্য সান-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৬ সালের মার্চে ২১ জন বিজ্ঞানীর একটি দল নিয়ে হকিং সেখানে একটি সম্মেলনে অংশ নেন, যা এপস্টিনের অর্থায়নে হয়েছিল।

‘এনার্জি অব এম্পটি স্পেস দ্যাট ইজন্ট জিরো’ শীর্ষক ওই আয়োজনের আগে হকিংকে লিটল সেন্ট জেমস দ্বীপে তোলা দুটি ছবিতেও দেখা যায়। একটি ছবিতে তাঁকে কয়েকজনের সঙ্গে বারবিকিউতে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়, অন্যটিতে একটি সাবমেরিনের ভেতর থেকে দ্বীপের সমুদ্রতল ঘুরে দেখানো হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, হকিং হুইলচেয়ার ব্যবহার করতেন বলে সাবমেরিনটি তাঁর সুবিধার জন্য বিশেষভাবে পরিবর্তন করেছিলেন এপস্টিন।

তবে এপস্টিনের সঙ্গে স্টিফেন হকিংয়ের সম্পর্কের ধরন স্পষ্ট নয়। প্রকাশিত কোনো ছবিতেই তাঁদের একসঙ্গে দেখা যায়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত সর্বশেষ নথিতে স্টিফেন হকিংয়ের নাম ২৫০ বারের বেশি উল্লেখ রয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা স্পষ্ট করেছেন, নথিতে কারও নাম থাকা মানেই কোনো অপরাধে জড়িত থাকা নয়।

এই শাখার আরও খবর

ভারতে অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসনে দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাই চায় দিল্লি

মেলবোর্ন, ৬ জুন- ভারতে অবৈধভাবে অবস্থানকারী বাংলাদেশিসহ সব বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে দেশটির প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারত সরকার। একই সঙ্গে এসব…

গাইবান্ধার রামমূর্তি নির্মাণ ঘিরে উত্তেজনা: কারা এবং কেন দিচ্ছে ভাঙার হুমকি?

মেলবোর্ন, ৬ জুন- গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির কমপ্লেক্সে নির্মাণাধীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রামমূর্তি নির্মাণকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং স্থানীয়…

এভারেস্ট জয়ের রহস্য: ১০০ বছর পরও অজানা ম্যালোরি-আরভিনের শেষ পরিণতি

মেলবোর্ন, ৬ জুন- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট এভারেস্টকে ঘিরে অসংখ্য ইতিহাস, অর্জন ও ট্র্যাজেডির গল্প রয়েছে। তবে এসব কাহিনির মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী…

ইরানের রাডার স্থাপনায় মার্কিন হামলার দাবি, নতুন করে উত্তেজনা

মেলবোর্ন, ৬ জুন- ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। শুক্রবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়,…

জনতার জবানবন্দি: ইউনূস সরকারের  ১৮ মাসের দুঃশাসনে জাতি যা হারিয়েছিল

মেলবোর্ন, ৬ জুন- ৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত—৫৪৭ দিন। ইউনূস সরকার এই ১৮ মাসের বেশি সময় ধরে দুঃশাসন চালিয়েছিল। “সংস্কার” এর নামে…

কোন পথে হাঁটছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র

মেলবোর্ন, ৬ জুন- ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে আবারও সংঘাতের আশঙ্কা জোরালো হয়ে উঠেছে। গত এপ্রিলে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর উভয়…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au