সমাধানের পথ নেই, বাংলাদেশের সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতি
মেলবোর্ন, ০৭ মার্চ- ইরানের সাথে ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের যুদ্ধে বাংলাদেশ নেই। কিন্তু সেই যুদ্ধের রেশ সবচেয়ে বেশি যেসব দেশে পড়েছে বাংলাদেশ তার…
মেলবোর্ন, ২৮ ফেব্রুয়ারি- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১৭ ও ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে ৮০ হাজারের বেশি প্রার্থী আবেদন করেছেন। শুক্রবার ‘আজকের পত্রিকা’কে এ তথ্য জানান বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)–এর চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম।
আমিনুল ইসলাম বলেন, ১৭ ও ১৮ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানপ্রধান পদে নিয়োগের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করা হবে।
এবারই প্রথমবারের মতো এনটিআরসিএর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার নিয়োগের প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। গত ২৯ জানুয়ারি এ পদগুলোতে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ৩ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়।
এনটিআরসিএর তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৮০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। সময় থাকবে ১ ঘণ্টা। মোট ৮০টি প্রশ্ন থাকবে, প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে ০ দশমিক ২৫ নম্বর। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ভিত্তিতে ১২ নম্বর যোগ হবে।
পাসের জন্য প্রতিটি অংশে আলাদাভাবে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। আবেদনকারীদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বশেষ জারি করা জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।
গত ২৭ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এক পরিপত্রে এনটিআরসিএকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান পদে নিয়োগের ক্ষমতা প্রদান করে। ২০০৫ সাল থেকে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা আয়োজন এবং ২০১৬ সাল থেকে এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক-প্রভাষক নিয়োগে সুপারিশ করে আসছে সংস্থাটি।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর–এর আওতায় স্নাতক পাস কলেজে অধ্যক্ষ ৫৮৪টি ও উপাধ্যক্ষ ৬২৭টি পদ শূন্য রয়েছে। উচ্চমাধ্যমিক কলেজে অধ্যক্ষ ৭৬৮টি পদ খালি।
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ৩ হাজার ৯২৩টি এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক ৩ হাজার ৮৭২টি পদ শূন্য। নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে শূন্য রয়েছে ৫০৪টি। এ অধিদপ্তরের আওতায় মোট শূন্য পদ ১০ হাজার ২৭৮টি।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর–এর অধীনে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা অধ্যক্ষ ১১০টি এবং ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠানে সুপারিনটেনডেন্ট ৪০টিসহ মোট ১৫০টি পদ খালি।
অন্যদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর–এর আওতায় কামিল পর্যায়ে অধ্যক্ষ ৩৪ ও উপাধ্যক্ষ ৫৩টি, ফাজিল পর্যায়ে অধ্যক্ষ ২০২ ও উপাধ্যক্ষ ৩৪৩টি, আলিম পর্যায়ে অধ্যক্ষ ২১৯ ও উপাধ্যক্ষ ৩৭৭টি পদ শূন্য। দাখিল পর্যায়ে সুপারিনটেনডেন্ট ৮৯৯টি এবং সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট ১ হাজার ৪টি পদ খালি রয়েছে। এ অধিদপ্তরে মোট শূন্য পদ ৩ হাজার ১৩১টি।
সব মিলিয়ে তিন অধিদপ্তরে প্রধান ও সহকারী প্রধান পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় শিক্ষা খাতে বড় ধরনের প্রশাসনিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au