মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন, ১ মার্চ: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরে বসবাসরত ইরানিরা রাস্তায় নেমে উদ্যাপন করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রোববার (AEDT) নিশ্চিত করে যে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন। একই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানানো হয়।
অস্ট্রেলিয়া সরকার যে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-কে সন্ত্রাসে সম্পৃক্ত সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, সেই বাহিনী “ধ্বংসাত্মক প্রতিশোধমূলক হামলার” হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
ক্যানবেরায় ইরানি দূতাবাসের সামনে খামেনিবিরোধীরা সমাবেশ করেন। তারা বিপ্লব-পূর্ব ‘লায়ন অ্যান্ড সান’ পতাকা, পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পতাকা বহন করেন। পরে শহরের কেন্দ্রস্থলে জড়ো হয়ে অনেকে গান ও নৃত্যের মাধ্যমে প্রতিবাদী আনন্দ প্রকাশ করেন।
আয়োজকদের ভাষ্য, “এই বিশাল গণজাগরণ স্পষ্ট করে দিয়েছে—ইরানের মানুষ আর কোনো স্বৈরশাসন চায় না; না সর্বোচ্চ নেতা, না শাহ—তারা চায় একটি ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র।”
সিডনি ও মেলবোর্নসহ অন্যান্য শহরেও অনুরূপ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অস্ট্রেলিয়ান ইরানিয়ান কমিউনিটি অ্যালায়েন্সের সহ-সভাপতি সুরেন এডগার বলেন, খামেনির মৃত্যু লাখো ইরানির কাছে “স্বস্তির অনুভূতি” বয়ে আনবে।
তিনি বলেন, “আলি খামেনির নিশ্চিত মৃত্যু একটি যুগের অবসান, যে যুগ ছিল দমন-পীড়ন, মৃত্যুদণ্ড, সেন্সরশিপ ও রাষ্ট্রীয় সহিংসতায় চিহ্নিত। বহু ইরানির কাছে এটি স্বস্তির মুহূর্ত।”
৩৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা খামেনির শাসনামলে কড়াকড়ি নাগরিক বিধিনিষেধ, বিক্ষোভ দমন এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ছিল আলোচিত বিষয়। তার পররাষ্ট্রনীতিতে মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থনের অভিযোগও রয়েছে।
রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, “আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুতে কেউ শোক করবে না। অস্ট্রেলিয়া ইরানের সাহসী জনগণের পাশে আছে, যারা একটি নিপীড়নমূলক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে।”
তিনি আরও বলেন, “খামেনি ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি, সশস্ত্র প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন এবং নিজ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের জন্য দায়ী ছিলেন। তার মৃত্যু শোকের কারণ হবে না।”
– news.com.au
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au