সমাধানের পথ নেই, বাংলাদেশের সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতি
মেলবোর্ন, ০৭ মার্চ- ইরানের সাথে ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের যুদ্ধে বাংলাদেশ নেই। কিন্তু সেই যুদ্ধের রেশ সবচেয়ে বেশি যেসব দেশে পড়েছে বাংলাদেশ তার…
মেলবোর্ন, ৬ মার্চ- পাহাড়সম ২৫৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ পর্যন্ত লড়াইটা জমিয়ে তুলেছিল ইংল্যান্ড। চার আর ছক্কার ঝড়ে ম্যাচটিকে শেষ ওভার পর্যন্ত নিয়ে যান জ্যাকব বেথেল। তবে শেষ হাসি হেসেছে ভারত। রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে ৭ রানের জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের আয়োজকরা দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে।
ওয়াংখেড়েতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫৩ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ভারত। জবাবে ইংল্যান্ড নির্ধারিত ওভারে ২৪৬ রান পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ফিল সল্ট। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ৫ রানেই বিদায় নেন তিনি। এরপর দলনেতা হ্যারি ব্রুকও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৬ বলে ৭ রান করে ফিরে যান তিনি। পাওয়ার প্লের মধ্যেই আরও একটি ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। বরুণ চক্রবর্তীর বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১৭ বলে ২৫ রান করেন আরেক ব্যাটার। তিন উইকেট হারালেও রান তোলার গতি থামেনি। প্রথম ৬ ওভারে স্কোরবোর্ডে উঠে যায় ৬৮ রান।
এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন জ্যাকব বেথেল। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে তিনি ভারতীয় বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। তাকে সঙ্গ দেন টম ব্যান্টন ও উইল জ্যাকস। তবে বেথেলকে রেখে একে একে বিদায় নেন তারা। ব্যান্টন ৫ বলে ১৭ এবং জ্যাকস ২০ বলে ৩৫ রান করেন। স্যাম কারানও দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করে ১৪ বলে ১৮ রান করেন।
অন্যপ্রান্তে একাই লড়াই চালিয়ে যান বেথেল। মাত্র ১৯ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। এরপর আরও গতি বাড়িয়ে তুলে নেন শতকও। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ১০৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে আউট হন এই ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৮টি ছক্কা। তবে সঙ্গীর অভাব আর শেষ দিকে চাপ সামলাতে না পারায় ইংল্যান্ড লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি।
ভারতের হয়ে হার্দিক পান্ডিয়া সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন। এছাড়া অক্ষর প্যাটেল ও বরুণ চক্রবর্তীসহ আরও কয়েকজন বোলার একটি করে উইকেট তুলে নেন।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। ওপেনার অভিষেক শর্মা মাত্র ৯ রান করে বিদায় নেন। তবে দ্বিতীয় উইকেটে স্যাঞ্জু স্যামসন ও ইশান কিষাণ দারুণ জুটি গড়েন। দুজনের জুটিতে আসে ৯৭ রান। ইশান ১৮ বলে ৩৯ রান করে আউট হন।
স্যামসন ইনিংসের হাল ধরেন। অর্ধশতক পূর্ণ করে শতকের দিকেই এগোচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৮৯ রানে থামতে হয় তাকে। তার ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৭টি ছক্কা। দ্রুত রান তোলার লক্ষ্যেই চার নম্বরে নামানো হয় শিবম দুবেকে। তিনি ২৫ বলে ৪৩ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। দলনেতা সূর্যকুমার যাদব ৬ বলে ১১ রান করেন।
শেষ দিকে ঝড় তোলেন হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক ভার্মা। হার্দিক ১২ বলে ২৭ এবং তিলক ৭ বলে ২১ রান করেন। অক্ষর প্যাটেল ২ রানে ও বরুণ চক্রবর্তী শূন্য রানে অপরাজিত থাকেন। তাদের দ্রুত রান তোলাই ভারতের সংগ্রহকে ২৫০ ছাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে।
ইংল্যান্ডের হয়ে উইল জ্যাকস ও আদিল রশিদ দুটি করে উইকেট নেন। জোফরা আর্চার একটি উইকেট শিকার করেন। তবে শেষ পর্যন্ত বেথেলের শতকও দলকে জয় এনে দিতে পারেনি। ফলে ৭ রানের রোমাঞ্চকর জয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে গেল ভারত।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au