আংশিক খুলছে কাতারের আকাশপথ, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংকারে লাখো ইসরায়েলি
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে কাতার সীমিত পরিসরে তাদের আকাশপথ আবার খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।…
মেলবোর্ন, ৬ মার্চ- নেপালে সাধারণ নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। গত বছরের প্রাণঘাতী তরুণদের আন্দোলনের পর প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের পর এই প্রথম দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। সর্বশেষ ফলাফল হিসেবে দেখা যাচ্ছে, তরুণদের পছন্দের প্রার্থী হিসেবে পরিচিত র্যাপার থেকে রাজনীতিক হওয়া বালেন্দ্র শাহ নিজের নির্বাচনী এলাকাতেই ৭৪ বছর বয়সী কেপি শর্মা ওলির চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।
৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ, যিনি বালেন নামেও পরিচিত, নেপালের ঝাপা আসনে ওলির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনের আগে তার জনসভাগুলোতে বিপুল সংখ্যক তরুণ ভোটারের উপস্থিতি দেখা যায়। রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মুখ হলেও তরুণ সমাজের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে তিনি রবি লামিছানে নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টিতে যোগ দেন।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে দেশজুড়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে ব্যাপক তরুণ আন্দোলন শুরু হয়েছিল, সেখানে বালেন্দ্র শাহকে অনানুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্বদানকারী তরুণদের অন্যতম মুখ হিসেবে দেখা হয়। সেই আন্দোলনের জেরে কেপি শর্মা ওলির সরকার পতন ঘটে। পরে নির্বাচন তদারকির জন্য সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে ভূমিকা রাখেন বালেন্দ্র শাহ।
নির্বাচনের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বালেন্দ্র শাহের দল রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি ২০টির বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে পুরোনো রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে পরিচিত কেপি শর্মা ওলির দল কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফায়েড মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) এবং গগন থাপার দল নেপালি কংগ্রেস এখন পর্যন্ত তিনটি করে আসনে এগিয়ে আছে।
এদিকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল, যিনি নেপালি কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান, তিনি রুকুম পূর্ব আসনে এগিয়ে আছেন।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ যোগ্য ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এবারের নির্বাচনে ৬৫টি রাজনৈতিক দলের হয়ে তিন হাজার চারশোর বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নেপালের নির্বাচনের ফলাফলের দিকে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ভারতও নিবিড়ভাবে নজর রাখছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সম্প্রতি বলেছেন, নেপালে শান্তি, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পক্ষে ভারত সব সময় সমর্থন দিয়ে এসেছে। তিনি জানান, নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে ভারতের পক্ষ থেকে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে।
এছাড়া নেপালের নির্বাচন আয়োজনের জন্য বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক সহায়তাও দিয়েছে ভারত।
সূত্রঃ এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au