যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাত: অস্ট্রেলিয়া কি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে?
মেলবোর্ন, ৯ মার্চ: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে অস্ট্রেলিয়া সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা…
মেলবোর্ন, ৯ মার্চ- ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের কামারেড্ডি জেলা-য় ঋণের চাপে নিজের তিন নাবালিকা কন্যাকে লেকে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগে এক বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত তিন শিশুর মরদেহ স্থানীয় একটি লেক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম ইসমাইল। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক। কামারেড্ডি জেলার সহকারী পুলিশ সুপার চৈতন্য রেড্ডি জানান, প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ঋণের বোঝায় জর্জরিত ছিলেন ইসমাইল। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে সন্তানদের লালন-পালন করতে পারবেন না—এমন আশঙ্কা থেকেই তিনি এই নির্মম কাজটি করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহত তিন শিশুর নাম সিফাত (৮), আয়াত (৭) এবং মারিয়াম (৫)। শনিবার রাতে একটি লেক থেকে আয়াত ও মারিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে রোববার তল্লাশি চালিয়ে একই লেক থেকে সিফাতের মরদেহও উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুদের মা একজন দিনমজুর। শনিবার সকালে তিনি কাজে যান। দুপুরে বাড়ি ফিরে মেয়েদের ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। প্রতিবেশীরাও শিশুদের কোথাও দেখতে পাননি বলে জানান। পরে বিকেলে তিনি স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে থানায় গিয়ে মেয়েদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানান।
এরপর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে। সেই ফুটেজে তিন শিশুকে তাদের বাবার সঙ্গে যেতে দেখা যায়।
পুলিশ ইসমাইলকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রথমে তিনি জানান, সকালে মেয়েদের বাইরে খেতে নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে তার বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অপরাধের কথা স্বীকার করেন বলে দাবি করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আর্থিক সংকটের কারণে তিনি তিন মেয়েকে স্থানীয় পেড্ডাচেরুভু লেক-এ নিয়ে গিয়ে পানিতে ঠেলে ফেলে দেন। এরপর তল্লাশি চালিয়ে ওই লেক থেকেই তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আদালত অভিযুক্ত ইসমাইলকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au