সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকা হলে রাজপথে আন্দোলন
মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকা হলে তারা রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলবে। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে…
মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- দেশে জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে গণপরিবহনের জন্য তেলের রেশনিং পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তানে জানান, দূরপাল্লা ও গণপরিবহনের জন্য তেলের রেশনিং আজ রাত থেকে কার্যকর থাকবে না এবং বাসগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল পাবে।
মন্ত্রী বলেন, “দূরপাল্লা ও গণপরিবহনে তেলের রেশনিং রাত থেকে আর থাকছে না। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। বাসগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবে।” তিনি আরও জানান, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে গণপরিবহনের চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না এবং যাত্রীদের চলাচলে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এর পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে গত ৬ মার্চ থেকে ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহ সীমিত করা হয়েছিল। ওই নির্দেশনার আওতায় একটি মোটরসাইকেলে দিনে সর্বাধিক ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ও মাইক্রোবাস ২০–২৫ লিটার, পিকআপ বা লোকাল বাস ৭০–৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক ২০০–২২০ লিটার তেল নিতে পারছিল।
এটি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে সৃষ্ট জটিলতার মধ্যে নেওয়া পদক্ষেপ। বিপিসি’র পূর্ববর্তী সীমাবদ্ধতা মূলত জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য ছিল।
তবে গণপরিবহনের জন্য নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হলেও ব্যক্তিগত যানবাহনের জন্য এখনো নতুন কোনো নির্দেশনা বা সীমাবদ্ধতা বাতিলের ঘোষণা আসেনি। ফলে ব্যক্তিগত যানবাহন মালিকরা এখনও পূর্বের রেশনিং অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করতে হবে।
মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম আশা প্রকাশ করেছেন, এই পদক্ষেপের ফলে দূরপাল্লা ও গণপরিবহনের চলাচলে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে এবং যাত্রীদের সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, সরকার দেশের জ্বালানি সরবরাহকে সুনিশ্চিত করতে এবং গণপরিবহনকে বাধাহীনভাবে চলাচলের সুযোগ দিতে সর্বোচ্চ তৎপরতা অব্যাহত রাখবে।
জ্বালানি সরবরাহের এ ধরনের পদক্ষেপ বিশেষভাবে জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে এমন সময়ে, যখন আন্তর্জাতিক বাজারে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের দাম ও সরবরাহের ওপর চাপ বাড়ছে। সরকারের এই উদ্যোগ জনসাধারণ ও পরিবহন খাতের জন্য স্বস্তির বার্তা দিয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au