বাংলাদেশ

‘অবৈধ নিষেধাজ্ঞা’ প্রত্যাহার হচ্ছে না

আবার প্রতারিত আওয়ামী লীগ, এবার বিএনপির কাছে

  • 5:59 pm - March 20, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৫৯ বার
রাজনীতিতে ফেরার পরিকল্পনা করছেন ভারতে থাকা আওয়ামী লীগ নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ২০ মার্চ- বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিততে ‘পর্দার আড়ালে’ দেশটির প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির সমঝোতার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল ভোটের মাঠে। ১২ ফেব্রুয়ারির সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে শুরু করে সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা হাতখুলে ভোট দিয়েছিল বিএনপিকে। শুধু নিজেরাই নয়, দলটির দীর্ঘ বছরের ‘ভোট ব্যাংক’ সংখ্যালঘুদেরকেও উদ্বুদ্ধ করেছিল ধানের শীষে ভোট দিতে। যে কারণেই মূলত ভূমিধ্বস বিজয় পেয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করে বিএনপি।

কিন্তু সরকার গঠনের এক মাসের মাথায় এসে আওয়ামী লীগকে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে অপ্রত্যাশিতভাবে ক্ষমতায় আসা বিএনপি। ‘পর্দার আড়ালে’ হওয়া সেই সমঝোতার প্রধান শর্ত ছিল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে। পাশাপাশি অন্যায়ভাবে কারাবন্দী নেতাকর্মীদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হবে। এসব শর্তের একটিও পূরণ করেনি বিএনপি। উল্টো দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকবে!

কী বলেছেন মির্জা ফখরুল
গত বুধবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করছিলেন মির্জা ফখরুল। সেখানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন।

জবাবে তিনি বলেন, ‘যেহেতু এখন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে; বন্ধ আছে, বন্ধ থাকবে। বাকিরা যারা আছে, তারা কাজ করবে, করছেও। আওয়ামী লীগ তো চেষ্টা করবেই কিছু কিছু কাজ করতে। করছে। লাভ তো হচ্ছে না। পিপল (জনগণ) তাদের রিজেক্ট করেছে। পিপল রিজেক্ট করে দিয়েছে একদম, তাই না?’

এমন বক্তব্যে নানা প্রতিক্রিয়া
‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে; বন্ধ আছে, বন্ধ থাকবে’- বিএনপি মহানসচিবের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক থেকে অন্য দলের নেতৃবৃন্দও। তারা বলছেন, মির্জা ফখরুলের এই বক্তব্যে বিএনপির সুদীর্ঘ বছরের স্বৈরাচারী  মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি দল কেন আরেকটি গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চা করা দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাখবে?

তারা প্রশ্ন তুলে বলেন, দল হিসেবে তো আওয়ামী লীগের কোনো অপরাধ এখন পর্যন্ত প্রমাণিত হয়নি, তাহলে কেন তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে? আবার যে প্রক্রিয়ায় দলটির  কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, সেটাও তো বৈধ প্রক্রিয়া নয়। কোন যুক্তিকে আওয়ামী লীগকে রাজনীতির বাইরে রাখতে চাচ্ছে বিএনপি সরকার?

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

যা বলছে আওয়ামী লীগ
বিএনপি মহসচিবের এমন বক্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। দলটির একাধিক সিনিয়র নেতা ওটিএন বাংলাকে বলেছেন, ‘আমাদের ধারণা ছিল, দীর্ঘ সময় পর ক্ষমতায় আসা বিএনপি ড. ইউনূস সরকারের অবৈধ নিষেধাজ্ঞাকে প্রত্যাহার করে নেবে। নির্বাচনের আগে আমাদের সেই প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। কিন্তু তারা সেই প্রতিশ্রুতিভঙ্গ করেছে।’

“বিএনপির জন্মই জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার মধ্যে। আরেকবার জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলো ক্যান্টনমেন্টে জন্ম নেওয়া দলটি। এতে একটু অবাক হলেও নিজের রাজনৈতিক ক্ষমতা দিয়েই বাংলাদেশের মাটিতে রাজনীতি করবে আওয়ামী লীগ। এদেশের মাটি ও মানুষের দল অবৈধ কোনো নিষেধাজ্ঞা মানবে না।”

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেমন তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন রাজনীতি সচেতন ব্যক্তিরা, তেমনি আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরাও মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, এভাবে কোনো দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একটি সরকার গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত না করতে পারলে, দিনশেষে তার জবাবদিহিতা সেই সরকার এবং দলকেই করতে হবে।

যেভাবে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল অবৈধ সরকার
২০২৪ সালে ৫ আগস্ট নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যূত করার পর ৮ আগস্ট সংবিধান ও আইন ভঙ্গ করে শপথ নিয়েছিল ড. মুহাম্মদ ইউনূস কথিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সেই সরকার দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়ে একের পর এক বিতর্কিত অধ্যাদেশের মাধ্যমে মূলত অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করে। সেই সরকারের এসব অবৈধ কাজের সহায়তা করে বিএনপি-জামায়ত-এনসিপি।

তীব্র দমন-পীড়ন চালিয়েও ইউনূস সরকার যখন আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে পারেনি। বরং আরও জনপ্রিয়তায় বেড়ে যায়, নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয় সুনিশ্চিত- ঠিক তখনই ভীতসন্ত্রস্ত সরকার কথিত নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ করে দলটির কার্যক্রম।

২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করে আওয়ামী লীগকে। সেই সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দলটির বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

অতি উৎসাহী নির্বাচন কমিশন
শুধু তাই নয়, এই ঘোষণার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করে দেয় অতি উৎসাহী নির্বাচন কমিশন। সেদিন সংবাদ সম্মেলন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, “আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, তার অঙ্গ সংগঠন ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। এর ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করা হলো।”

নিষেধাজ্ঞার আগে পরিকল্পিত নৈরাজ্য
যেদিন সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়ে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে, তার কয়েকদিন আগে ১৬ বছরে দলটির ‘নেতিবাচক কার্যক্রম’ ও জুলাই অগাস্টের ‘গণহত্যায় দলটির ভূমিকা’র অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামে এনসিপি, ছাত্রশিবিরসহ বেশ কয়েকটি ডানপন্থী ছাত্র সংগঠন।

তারা প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে টানা অবস্থান করে। এরপর রাজধানীর শাহবাগে ব্লকেড কর্মসূচি পালনের নামে শহরজুড়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে। জনগণকে জিম্মি করে পরিকল্পিত একটি পরিস্থিতি তৈরি করে। ১০ মে রাতে জরুরি বৈঠকে বসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সেই বৈঠকেই আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় উপদেষ্টা পরিষদ। সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে একদিন পর  প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

চরমোনাইকে ছাড়াই ২৫৩ আসনে সমঝোতার ঘোষণা, জামায়াত ১৭৯ ও এনসিপি। ছবি: সংগৃহীত

সেদিনও ‘আনন্দিত’ ছিলেন মির্জা ফখরুল
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের কয়েকঘণ্টার মধ্যেই নিজের প্রতিক্রিয়ায় ‘আনন্দিত’ বলে মন্তব্য করেছিলেন, বিএনপির  মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

১২ মে এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা আনন্দিত যে বিলম্বে হলেও গত রাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ফ্যাসিবাদী সরকারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত করার এবং বিচারকার্য নির্বিঘ্ন করার স্বার্থে ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগ ও তার সঙ্গে যুক্ত সব সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

আবার প্রতারিত আওয়ামী লীগ
১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে বিশেষ করে তারেক রহমান দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার বিষয়ে একাধিকার ইতিবাচক মন্তব্য করেন। এমনকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুই সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল রাজনীতিতে আসলে তার কোনো আপত্তি নাই বলে সংবাদ মাধ্যমে বলেছিলেন।

এর বাইরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারাও ভোটের আগে সারাদেশের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বলেছিলেন, অতীত ভুলে আবার সবাই একসঙ্গে রাজনীতি করবেন। ভুল-ভ্রান্তি মনে রাখবেন না তারা। কিন্তু ভোটে জেতার পর এসব মিষ্টি কথা ভুলে আগের নির্যাতকের চেহারায় ফেরে বিএনপি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে যেভাবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল, তা আবার নতুন করে শুরু করে। খুনের রাজনীতিতে মেতে একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে হত্যা করতে থাকে। কোথাও আবার নির্যাতনের পর পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

আওয়ামী লীগের কাছে সবচেয়ে হতাশার খবর হয়ে আসে, আগে থেকে যেসব নেতাকর্মী কারাবন্দী, তাদের জামিন হলেই নতুন মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশনা। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেই সারাদেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের লিখিত নির্দেশ দেয়, কোনোভাবেই যেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কারাগার থেকে বের হতে না পারে। সেজন্য নতুন নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে বলা হয়।

এমন পরিস্থিতির পর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বুঝতে পারেন, তারা প্রতারিত হয়েছেন। এর আগে প্রতারিত হয়েছিল সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের কথায়। তাকে বিশ্বাস করে ক্ষমতা হারাতে হয় শেখ হাসিনা সরকার। এবার বিএনপির কাছে প্রতারিত হয়ে রাজনীতিতে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে যায়।

১৭ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান। ছবি: সংগৃহীত

ডাঙার বাঘ থেকে বাঁচতে জলের কুমিরের মুখে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের অবস্থা হয়েছিল ‘জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ’ এর মতো। বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করা দল জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসছে- এমন একটা ‘হাওয়া’ উঠে যায় চারদিকে। মানুষের মুখে মুখে ঘুরে এই ‘হাওয়া’ বাস্তবে পরিণত হওয়া ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেই জামায়াতে ইসলামী ঠেকাতে ‘পর্দার আড়ালে’ ঘটে যায় অনেক কিছু। জলের বাঘ জামায়াতের ক্ষমতায় যাওয়া ঠেকাতে চিরশত্রু বিএনপির সাথে আঁতাত করে দেশের স্বাধীনতা এনে দেওয়া দলটি।

কিন্তু মোহভঙ্গ হতে বেশি সময় লাগে নি। কুমিরের কান্নায় ভুলে আজ সেই কুমিরের মুখে আটকে গেছে আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সবশেষ এই প্রতারণায় আওয়ামী লীগে জন্য অনেকটাই কঠিন হয়ে গেল রাজনীতির মাঠে ফেরার।

এই শাখার আরও খবর

ইরানে হামলায় মার্কিন বাহিনীকে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিল যুক্তরাজ্য

মেলবোর্ন, ২১ মার্চ- পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। ইরানের সামরিক সক্ষমতার…

বক্স অফিস কাপাচ্ছে ‘ধুরন্ধর টু’

মেলবোর্ন, ২১ মার্চ- বলিউডের দীর্ঘদিনের মন্দা কাটিয়ে বক্স অফিসে নতুন দাপট দেখাতে শুরু করেছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। ১৯ মার্চ বিশ্বজুড়ে মুক্তির প্রথম দিনেই সিনেমাটি রীতিমতো…

মধ্যপ্রাচ্যে মেরিন সেনা ও উভচর যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মেলবোর্ন, ২১ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সেখানে অতিরিক্ত সামরিক শক্তি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, অঞ্চলটিতে মেরিন সেনা এবং একটি…

ইরাক থেকে নিরাপত্তা পরামর্শক মিশন প্রত্যাহার করলো ন্যাটো

মেলবোর্ন, ২১ মার্চ- উত্তর ইরাকে ইরানের ধারাবাহিক হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটি থেকে নিজেদের নিরাপত্তা পরামর্শক মিশন প্রত্যাহার করে নিয়েছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। জোটটির পক্ষ থেকে…

ইরানে ফার্সি নববর্ষ বা নওরোজের আগে নতুন করে হামলা ইসরায়েলের

মেলবোর্ন, ২১ মার্চ- ফার্সি নববর্ষ নওরোজের ঠিক আগমুহূর্তে ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির রাজধানী তেহরানসহ কাস্পিয়ান সাগর উপকূলবর্তী নুর অঞ্চলে হামলার খবর…

কাতারে হামলার পর গ্যাস সংকটের শঙ্কা, কী করছে বাংলাদেশ?

মেলবোর্ন, ২১ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। বিশেষ করে কাতারের গুরুত্বপূর্ণ…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au