বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ডের পর মুখ খুললেন এনজো ফার্নান্দেজ
মেলবোর্ন, ২৩ জুলাই: স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ শিরোপা হারানোর পর প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। ফাইনালে লাল কার্ড দেখে মাঠ…
মেলবোর্ন, ২৪ মার্চ- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচন এবং এর ফলাফলকে কেন্দ্র করে সোমবার (২৩ মার্চ) দেশটির পার্লামেন্টে এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন সংসদ সদস্য অ্যাবিগেইল বয়েড।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হক।
তিনি জানান, বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক পরিবর্তন এবং নির্বাচনের ফলাফল আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গুরুত্ব পাচ্ছে, যার প্রতিফলন হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে এই প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে।
প্রস্তাবে অ্যাবিগেইল বয়েড ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের অবসানের পর এটিই ছিল দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন, যা নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়, এই নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ঐতিহাসিকভাবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করেছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে উল্লেখ করা হয়, এবারের নির্বাচনে প্রায় ৫৯ শতাংশ ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন, যা জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহর বক্তব্য তুলে ধরে প্রস্তাবে বলা হয়, জনগণের এই অংশগ্রহণ জাতির বিজয়ের প্রতীক।
নির্বাচনের পাশাপাশি ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ঘিরে অনুষ্ঠিত সাংবিধানিক গণভোটের বিষয়টিও প্রস্তাবে গুরুত্ব পায়। এতে বলা হয়, প্রায় ৬০ শতাংশ ভোটার এই সনদের পক্ষে মত দিয়েছেন। সনদটিতে দেশের শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহে সংস্কারের লক্ষ্যে ৮০টিরও বেশি প্রস্তাবনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা নতুন সরকার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
প্রস্তাবের শেষাংশে বিএনপি এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নির্বাচনে বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানানো হয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণকে তাদের সাহসিকতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং আন্দোলনের জন্য সাধুবাদ জানানো হয়, যা দেশে স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
অ্যাবিগেইল বয়েড তার বক্তব্যে বলেন, পরবর্তী কার্যদিবসে তিনি এই প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করবেন। এতে তিনি বাংলাদেশের নির্বাচনকে একটি যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
এর আগে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ার একই পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন অ্যাবিগেইল বয়েড। সর্বশেষ প্রস্তাবের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের দৃষ্টি ও আগ্রহের বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au