মোংলায় সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, নারী-পুরুষসহ ৭ জন আহত
মেলবোর্ন, ২৪ জুন- মোংলায় জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী-পুরুষসহ সংখ্যালঘু এক পরিবারের সাতজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের…
মেলবোর্ন, ২৬ মার্চ- বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা জাদুঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের দেড় বছর পরও বন্ধ রয়েছে। ২০১৫ সালের ২৫ মার্চ ৪৪তম স্বাধীনতা দিবসে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা এই জাদুঘর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর একদল বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জাদুঘরের বাইরের টেরাকোটা ভেঙে ফেলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুখাবয়ব ভেঙে পড়ে এবং প্রবেশমুখে থাকা র্যাম্প ইটের ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করা হয়।
বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত জাদুঘরের প্রধান ফটকে ঝুলছে তালা, নেই কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চারপাশে নীরবতা। জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব জানান, নতুন কনটেন্ট সাজানো নিয়ে কাজ চলছে এবং আশা করা হচ্ছে মে-জুন মাসের মধ্যে জাদুঘর পুনরায় উন্মুক্ত হবে। তিনি আরও বলেন, ভাঙচুর যেসব হয়েছে, সেগুলো নতুনভাবে প্রোডাকশন করা হচ্ছে, আগের অবস্থায় ফিরানো সম্ভব নয়, তবে সংগ্রহশালায় রাখা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, এটি সুপরিকল্পিত আক্রমণ ছিল এবং একটি জাতির প্রতীককে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি সরকারের কাছে স্পষ্ট নীতিগত অবস্থান বা পলিসি স্টেটমেন্ট প্রত্যাশা করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত জাদুঘরের পুনর্নির্মাণ ও সংস্কারের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।
দর্শকরা এ অবস্থাকে অবহেলার প্রতীক বলে অভিহিত করছেন। একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুবক বলেন, “স্বাধীনতা জাদুঘর ও আশপাশের এলাকা ইতিহাস শেখার জন্য দারুণ জায়গা। ভাঙা অংশগুলো এখনও সরানো হয়নি, যা অনেকটা অবহেলার পরিচয়।”
এদিকে আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন, তবে জাদুঘরে দর্শনার্থীর আনাগোনা নেই। আইনানুগ ব্যবস্থা এখনও নেওয়া হয়নি, বড় ধরনের অ্যাসেসমেন্ট ছাড়া আরও কোনো কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন জাদুঘরের মহাপরিচালক।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au