আগামী রোববার থেকে হামের টিকা দেওয়া শুরু হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মেলবোর্ন, ১ এপ্রিল- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ঘোষণা করেছেন, আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে দেশে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।…
মেলবোর্ন, ১ এপ্রিল- ভিক্টোরিয়ার সরকার ঘোষণা করেছে, আগামী ২০২৭ সাল থেকে সরকারিভাবে শ্রেণিকক্ষে স্মার্টওয়াচ ও হেডফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে। ইতোমধ্যেই ক্যাথলিক ও স্বাধীন বিদ্যালয়গুলিও এই নতুন নীতিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অনুরোধ করেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রসারিত এই ডিভাইস নিষেধাজ্ঞা ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। শিক্ষামন্ত্রী বেন ক্যারল বলেছেন, “মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বিভ্রান্ত করছিল। এখন নতুন বিভ্রান্তি তৈরি করছে স্মার্টওয়াচ। যেসব স্মার্টওয়াচ মেসেজ নিতে পারে এবং ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত, সেগুলোও নিষিদ্ধ হবে। আমরা চাই, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণভাবে শিক্ষকের দিকে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করুক।”
২০২০ সাল থেকে পাবলিক স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ। এক জরিপের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে বেশি মনোযোগী হয়েছে এবং বিরতিতে সামাজিক আচরণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফোনের কারণে ঘটে যাওয়া গুরুতর ঘটনার সংখ্যা কমেছে।
ক্যারল আরও বলেন, “মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা স্কুলে বড় পরিবর্তন এনেছে, কিন্তু প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে নীতিও আপডেট করতে হবে। স্মার্টওয়াচ এবং হেডফোন নিষিদ্ধের মাধ্যমে আমরা চাই, শ্রেণিকক্ষে কোনো বিভ্রান্তি না থাকে এবং শিক্ষার্থীদের মন শিক্ষকের দিকে থাকে।” গবেষণায় দেখা গেছে, ৭-১২ বছর বয়সী প্রায় ৬০ শতাংশ শিশু স্মার্টওয়াচ ব্যবহার করে।
নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণকে আংশিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে পাবলিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের প্লাটফর্ম ‘Parents Victoria’। সংস্থার প্রধান নির্বাহী গেইল ম্যাকহার্ডি বলেছেন, “মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের ফলে বিভ্রান্তি কমেছে এবং শিক্ষার্থীদের সংযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে নীতির প্রণয়নে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরামর্শ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিভাবকদের মধ্যে এই নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ কম বিভ্রান্তি সমর্থন করছেন, কেউ মনে করছেন এটি স্কুলের উপর অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপাচ্ছে।”
নতুন নীতি অনুযায়ী, স্মার্টওয়াচ ও হেডফোনবিহীন শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের প্রতি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারবে।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি মৌলবাদী ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারিকে হিটলার প্রশংসার অভিযোগে দেশ থেকে বহিষ্কৃত করা হয়েছে। আজহারি অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, সিডনি ও ক্যানবেরায় ‘লেগ্যাসি অফ ফেইথ’ সিরিজের বক্তৃতা দিতে আসেন।
লিবারাল সেনেটর জোনাথান ডুনিয়াম বলেছেন, সম্প্রদায়ভিত্তিক বিভিন্ন সংস্থা এবং সংসদ সদস্যদের আজহারির আগমনের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে দেওয়া এক বক্তৃতায় তিনি হিটলারের প্রশংসা করেছিলেন, ইহুদিদের অবমাননা করেছিলেন এবং শ্রোতাদের তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, বক্তৃতায় তিনি হিটলারের জঘন্য আচরণে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
ডুনিয়াম আরও বলেন, “আজহারির বিরুদ্ধে অভিযোগ শুধু একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সীমাবদ্ধ নয়। তার বক্তৃতায় ইহুদিবিরোধী, হিন্দুবিরোধী বক্তব্য এবং বাঙালি সংস্কৃতির অবমাননার প্রমাণ রয়েছে। তবুও অস্ট্রেলিয়া সরকার তাকে দেশে প্রবেশ করতে অনুমতি দিয়েছে।”
বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ও ধর্মীয় সংস্থাগুলি সপ্তাহের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তাদের কাছে হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছিল। তারা সতর্ক করেছিলেন, আজহারির বক্তৃতা ধর্মীয় উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং উগ্রবাদকে বৈধতা দিতে পারে।
দৈনিক মেইল জানিয়েছে, বক্তৃতা সফরের আয়োজনকারী সংস্থা ইসলামিক প্র্যাকটিস ও দাওয়াহ সার্কেলের সঙ্গে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হয়েছে, তবে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্রঃ এবিসি নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au