সংসদে বাদ পড়ছে গণভোটসহ অন্তর্বর্তী সরকারের ২০টি অধ্যাদেশ
মেলবোর্ন, ৩ এপ্রিল- গণভোট, গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে জাতীয় সংসদে বড় ধরনের সিদ্ধান্তের…
মেলবোর্ন, ২ এপ্রিল- আজ ২ এপ্রিল সারা বিশ্বে গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে হনুমান জয়ন্তী ২০২৬। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে এই দিনটি অত্যন্ত পবিত্র, কারণ এদিনেই ভগবান লর্ড হনুমান –এর জন্মবার্ষিকী হিসেবে পালিত হয়।
এই উপলক্ষে ভক্তরা পূজা-অর্চনা, হনুমান চালিসা পাঠ এবং সুন্দরকাণ্ড আবৃত্তির মাধ্যমে শক্তি, সাহস ও মানসিক শান্তি প্রার্থনা করছেন।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে হনুমান জয়ন্তী পালিত হয়। দৃকপাঞ্চং অনুসারে, এবারের শুভ পূজার সময় শুরু হয়েছে ভারতীয় সময় অনুসারে ১ এপ্রিল সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং তা শেষ হবে ২ এপ্রিল সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে।
এই দিনে অনেক ভক্ত উপবাস পালন করেন। উপবাসের নিয়ম অনুযায়ী, ভোরে সংকল্প গ্রহণ করে সারাদিন পবিত্রতা বজায় রাখতে হয়। ভক্তরা সাধারণত ফল বা দুধ গ্রহণ করেন এবং লবণ, শস্য, পেঁয়াজ, রসুন ও আমিষ খাদ্য পরিহার করেন।
পূজায় ভগবান হনুমানকে সিঁদুর, জুঁই তেল, লাল ফুল ও পান পাতা নিবেদন করা হয়। অনেক ভক্ত লাল বা কমলা রঙের পোশাক পরিধান করেন, যা ভক্তি ও শক্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
পূজার সময় গাঁদা ও গোলাপ ফুল, লাড্ডু, কলা ও হালুয়া নিবেদন করা হয়। ভক্তরা হনুমানের মূর্তিকে গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করিয়ে জুঁই তেল লাগান এবং বিভিন্ন মন্ত্র জপ করেন।
“ওম অঞ্জনী সুতায়ে নমঃ” ও “ওম হম হনুমতে নমঃ”
ভারত ও বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হিন্দু ধর্মীয় মন্দিরগুলোতে এবং কেউ কেউ পারিবারিকভাবে ভজন-সঙ্গীত ও লঙ্গরের আয়োজন করেছেন, যেখানে ভক্তদের জন্য বিনামূল্যে নিরামিষ খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে।
হনুমান জয়ন্তী ভক্তি, শক্তি ও সেবার প্রতীক। ভগবান হনুমান, মাতা অঞ্জনা ও কেশরীর পুত্র হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি ‘পবনপুত্র’ ও ‘রুদ্র অবতার’ নামেও পরিচিত।
শৈশবে সূর্যকে ফল ভেবে গিলে ফেলার মতো অলৌকিক কাহিনিগুলো তার অসীম শক্তির প্রতীক। হিন্দু ধর্মে তিনি ভগবান রামের–এর প্রতি অটল ভক্তি ও সেবার জন্য বিশেষভাবে পূজিত।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au