মাদরাসায় সাত বছরের শিশুকে ছয় মাস ধরে বলাৎকার করছিলেন ৬জন
সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ মহল্লার মারকাযুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ মাদরাসায় সাত বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে প্রায় ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে বলাৎকার ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ…
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদেশে উৎপাদিত ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, যা অস্ট্রেলিয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
নতুন এই শুল্ক মূলত পেটেন্টধারী ওষুধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, জেনেরিক বা সাধারণ ওষুধ এতে অন্তর্ভুক্ত নয়। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১.৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওষুধ রপ্তানি করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম ওষুধ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান CSL Limited ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বাড়ানোর দিকে ঝুঁকছে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কারখানার কারণে এই শুল্ক থেকে ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্ক বাটলার জানিয়েছেন, এই শুল্ক দেশের ভেতরে ওষুধের দামে কোনো প্রভাব ফেলবে না। তিনি বলেন, “ফার্মাসিউটিক্যাল বেনিফিটস স্কিম (PBS)-এর আওতায় ভর্তুকিপ্রাপ্ত ওষুধের দাম অপরিবর্তিত থাকবে। তবে রপ্তানিকারকদের জন্য এটি অনিশ্চয়তা তৈরি করবে।”
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বড় ওষুধ কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ার PBS ব্যবস্থার সমালোচনা করে আসছে, কারণ এই ব্যবস্থার কারণে অস্ট্রেলিয়ায় ওষুধের দাম তুলনামূলক কম।
প্রায় দুই দশক ধরে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কমুক্তভাবে রপ্তানি করে আসছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে নতুন এই সিদ্ধান্ত সেই ধারাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
বিরোধীদলীয় নেতা অ্যাঙ্গাস টেইলর এই সিদ্ধান্তকে “অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করেছেন এবং জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ান রপ্তানিকারকদের জন্য ছাড় আদায়ে সরকারকে সহযোগিতা করা হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত “most favoured nation” নীতির কারণে অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোতে ওষুধের কম দাম মার্কিন বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে কিছু কোম্পানি নতুন ওষুধ অস্ট্রেলিয়ায় বাজারজাত করতে দেরি করছে বা এড়িয়ে যাচ্ছে।
এই শুল্ক জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় আরোপ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নির্বাহী আদেশে বলেন, “বিদেশ থেকে ওষুধ আমদানি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।”
তবে যারা যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন স্থানান্তর করবে, তাদের জন্য শুল্ক ২০ শতাংশে নামিয়ে আনার সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া, কিছু কোম্পানি সরাসরি হোয়াইট হাউসের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে শুল্ক কমানোর সুযোগও পেতে পারে।
বিশ্বের বড় বড় ওষুধ কোম্পানি যেমন AstraZeneca, Johnson & Johnson এবং Pfizer ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পৃথক চুক্তিতে গেছে বলে জানা গেছে।
নতুন এই ১০০ শতাংশ শুল্ক আগামী ৩১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে, যা বৈশ্বিক ওষুধ বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ মহল্লার মারকাযুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ মাদরাসায় সাত বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে প্রায় ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে বলাৎকার ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ…
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপদ পানীয় জল দিন দিন দুর্লভ হয়ে উঠছে। জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, জলোচ্ছ্বাস ও নদীপথে লবণাক্ত পানি প্রবেশের কারণে উপকূলের বিস্তীর্ণ…
যথাযোগ্য মর্যাদায় হিন্দু সম্প্রদায়ের আরাধ্য ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি, শুভ জন্মাষ্টমী ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শুক্রবার রাজধানী ঢাকাসহ…
কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মরদেহ দ্রুত সৎকারের অভিযোগে উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ও তৃণমূল…
আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেবেন কি না, কিংবা তিনি অংশ না নিলে বাংলাদেশের হয়ে অন্য কোনো প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দেবেন…
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ পদে নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তত তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।…
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au



