জ্বালানী ট্যাংকারসহ হরমুজ প্রণালিতে আটকা দুই হাজারের বেশি জাহাজ
মেলবোর্ন, ৩ এপ্রিল- ইরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় ২ হাজার ১৯০টি বাণিজ্যিক জাহাজ আটকে পড়েছে। এর মধ্যে ৩২০টির বেশি তেল ও গ্যাসবাহী…
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদেশে উৎপাদিত ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, যা অস্ট্রেলিয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
নতুন এই শুল্ক মূলত পেটেন্টধারী ওষুধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, জেনেরিক বা সাধারণ ওষুধ এতে অন্তর্ভুক্ত নয়। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১.৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওষুধ রপ্তানি করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম ওষুধ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান CSL Limited ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বাড়ানোর দিকে ঝুঁকছে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কারখানার কারণে এই শুল্ক থেকে ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্ক বাটলার জানিয়েছেন, এই শুল্ক দেশের ভেতরে ওষুধের দামে কোনো প্রভাব ফেলবে না। তিনি বলেন, “ফার্মাসিউটিক্যাল বেনিফিটস স্কিম (PBS)-এর আওতায় ভর্তুকিপ্রাপ্ত ওষুধের দাম অপরিবর্তিত থাকবে। তবে রপ্তানিকারকদের জন্য এটি অনিশ্চয়তা তৈরি করবে।”
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বড় ওষুধ কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ার PBS ব্যবস্থার সমালোচনা করে আসছে, কারণ এই ব্যবস্থার কারণে অস্ট্রেলিয়ায় ওষুধের দাম তুলনামূলক কম।
প্রায় দুই দশক ধরে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কমুক্তভাবে রপ্তানি করে আসছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে নতুন এই সিদ্ধান্ত সেই ধারাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
বিরোধীদলীয় নেতা অ্যাঙ্গাস টেইলর এই সিদ্ধান্তকে “অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করেছেন এবং জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ান রপ্তানিকারকদের জন্য ছাড় আদায়ে সরকারকে সহযোগিতা করা হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত “most favoured nation” নীতির কারণে অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোতে ওষুধের কম দাম মার্কিন বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে কিছু কোম্পানি নতুন ওষুধ অস্ট্রেলিয়ায় বাজারজাত করতে দেরি করছে বা এড়িয়ে যাচ্ছে।
এই শুল্ক জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় আরোপ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নির্বাহী আদেশে বলেন, “বিদেশ থেকে ওষুধ আমদানি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।”
তবে যারা যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন স্থানান্তর করবে, তাদের জন্য শুল্ক ২০ শতাংশে নামিয়ে আনার সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া, কিছু কোম্পানি সরাসরি হোয়াইট হাউসের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে শুল্ক কমানোর সুযোগও পেতে পারে।
বিশ্বের বড় বড় ওষুধ কোম্পানি যেমন AstraZeneca, Johnson & Johnson এবং Pfizer ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পৃথক চুক্তিতে গেছে বলে জানা গেছে।
নতুন এই ১০০ শতাংশ শুল্ক আগামী ৩১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে, যা বৈশ্বিক ওষুধ বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
মেলবোর্ন, ৩ এপ্রিল- ইরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় ২ হাজার ১৯০টি বাণিজ্যিক জাহাজ আটকে পড়েছে। এর মধ্যে ৩২০টির বেশি তেল ও গ্যাসবাহী…
মেলবোর্ন, ৩ এপ্রিল- ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে সম্পাদিত বহুল আলোচিত বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি নতুন করে পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চুক্তির শর্তাবলি ও বিদ্যুতের মূল্য নিয়ে…
মেলবোর্ন, ৩ এপ্রিল- দুর্গাপূজায় অন্তত তিন দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়নসহ বিভিন্ন দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। বৈঠকে…
মেলবোর্ন, ৩ এপ্রিল- বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলায় দেশের অফিস-আদালত ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সময়সূচিতে বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত…
মেলবোর্ন, ৩ এপ্রিল: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাত নতুন মোড় নিয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই মার্কিন প্রশাসন দেশটির সর্বোচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, আর্মি চিফ অব স্টাফ জেনারেল…
মেলবোর্ন, ৩ এপ্রিল- গণভোট, গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে জাতীয় সংসদে বড় ধরনের সিদ্ধান্তের…
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au



