অভিনেত্রীর মরদেহ উদ্ধার
মেলবোর্ন, ৭ এপ্রিল- তামিল টেলিভিশন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুভাষিনীর মরদেহ চেন্নাইয়ের নীলঙ্করাই এলাকায় তার নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৬ এপ্রিল) ঘটনাটি ঘটে।…
মেলবোর্ন, ৬ এপ্রিল- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা শামীম আহমেদ ওরফে শামীম মোল্লা হত্যাকাণ্ডের এক বছর পেরিয়ে গেলেও তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তার পরিবার। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এখনো মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি পায়নি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ফলে তদন্ত কার্যক্রম ধীরগতিতে চলছে।
নিহতের বড় ভাই শাহীন আলম অভিযোগ করেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের করা মামলা এবং তার দায়ের করা মামলা একত্রে তদন্ত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্দেশের এক বছর পরও ভুক্তভোগী পক্ষের মামলার নথি পিবিআইয়ের কাছে পৌঁছায়নি। এতে তদন্ত কেবল প্রশাসনের দায়ের করা মামলাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একদল শিক্ষার্থী পিটিয়ে হত্যা করে শামীম মোল্লাকে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ঘটনার দুই দিন পর আশুলিয়া থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
পরবর্তীতে প্রশাসনের মামলায় অসন্তোষ জানিয়ে ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পৃথক একটি মামলা করেন শাহীন আলম। সেখানে নয় শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকেও আসামি করা হয়।
শাহীন আলম বলেন, “আদালতে গিয়েও আমার মামলার কোনো নথি পাইনি। পিবিআই কিংবা থানায় যোগাযোগ করেও তদন্তের কোনো অগ্রগতির তথ্য পাওয়া যায়নি।” তিনি অভিযোগ করেন, মামলার একাধিক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ক্যাম্পাসে ঘোরাফেরা করছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা মিলছে না।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক আনিসুর রহমান বলেন, তাদের কাছে বর্তমানে কেবল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মামলার নথি রয়েছে। ভুক্তভোগী পক্ষের মামলার নথি এখনো পৌঁছায়নি। তিনি জানান, প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ এক সিন্ডিকেট সভায় সাত শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পাশাপাশি দুই সাবেক শিক্ষার্থীর সনদও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।
তবে বিতর্কের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে, অভিযুক্তদের কেউ কেউ এখনো ক্যাম্পাসে সক্রিয়। এর মধ্যে আহসান লাবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের জাকসু নির্বাচনে অংশ নিয়ে সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। হামিদুল্লাহ সালমান দায়িত্ব পালন করছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে।
পরিবারের দাবি, কোনো প্রভাব ছাড়া নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হোক।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au