হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ
মেলবোর্ন, ২৬ এপ্রিল- দেশজুড়ে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ…
মেলবোর্ন, ২৬ এপ্রিল- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজে বন্দুক হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে পুরো ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রে কোনো ধরনের সহিংসতার স্থান নেই।
রোববার এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে মোদি জানান, ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট নিরাপদ ও অক্ষত রয়েছেন-এটি জেনে তিনি স্বস্তি পেয়েছেন। তিনি তাদের নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।
পোস্টে মোদি লেখেন, “গণতন্ত্রে হিংসার কোনো স্থান নেই। এ ধরনের ঘটনার অবশ্যই নিন্দা করা উচিত।” তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
শনিবার রাতে ওয়াশিংটনের একটি হোটেলে হোয়াইট হাউস সংবাদদাতাদের নৈশভোজ চলাকালে আকস্মিকভাবে গুলির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো অনুষ্ঠানস্থলে। দ্রুত পদক্ষেপ নেয় মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস, তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্টসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।
ঘটনার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী সন্দেহভাজন এক হামলাকারীকে আটক করে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তার বয়স প্রায় ৩১ বছর এবং তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা। তার কাছে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। হামলার সময় এক সিক্রেট সার্ভিস সদস্য গুলিবিদ্ধ হলেও বুলেটপ্রুফ ভেস্ট থাকায় বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।
ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্প নিজেও জানান, তিনি সুস্থ আছেন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত তৎপরতার কারণে বড় ধরনের বিপদ এড়ানো গেছে। হামলাকারীকে ‘অসুস্থ’ ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলার ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক নেতাদের প্রতিক্রিয়া থেকে স্পষ্ট, রাজনৈতিক সহিংসতার বিরুদ্ধে বৈশ্বিক অবস্থান আরও কঠোর হওয়ার প্রয়োজনীয়তা সামনে আসছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au