যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের তিন ধাপের প্রস্তাব
মেলবোর্ন, ২৭ এপ্রিল- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে তিন ধাপের একটি প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। এই প্রস্তাব ইসলামাবাদ-এ পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের কাছে তুলে ধরা হয়েছে বলে…
মেলবোর্ন, ২৭ এপ্রিল- দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার গোয়েন্দা সতর্কতার প্রেক্ষিতে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সোমবার সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দফতর থেকে জারি করা সতর্কবার্তার পরপরই বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করে। এর আওতায় বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনকারী সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দরের প্রবেশপথ, অ্যারাইভাল ও ডিপারচার টার্মিনালসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পোশাকধারী বাহিনীর পাশাপাশি সাদা পোশাকেও অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যাত্রী ও মালামাল তল্লাশি আরও কঠোর করা হয়েছে এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলেই তাৎক্ষণিকভাবে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
বেবিচকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো নিরাপত্তা হুমকি শনাক্ত হয়নি, তবে আগাম সতর্কতার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের প্রতিটি প্রবেশপয়েন্ট বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।”
এদিকে, বাংলাদেশ পুলিশ সদর দফতরের পক্ষ থেকে জারি করা একটি অভ্যন্তরীণ চিঠিতে জানানো হয়েছে, একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা সাম্প্রতিক সময়ে সক্রিয় যোগাযোগ বজায় রাখছে এবং তারা দেশের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থাপনায় সমন্বিত হামলার পরিকল্পনা করতে পারে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে।
সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় জাতীয় সংসদ ভবন, পুলিশ ও সামরিক স্থাপনা, উপাসনালয়, বিনোদনকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রয়েছে বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, জঙ্গি গোষ্ঠীটি হামলার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের বিষয়।
এই প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, তথ্য সমন্বয় বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব ইউনিটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au