হরমুজ সংকটের মধ্যেই চতুর্থবার তেল উৎপাদন বাড়াচ্ছে ওপেক প্লাস
মেলবোর্ন, ৭ জুন- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে জ্বালানি সরবরাহ সংকটের মধ্যেই আবারও তেল উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ওপেক প্লাস। জোটসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র…
মেলবোর্ন, ১৭ মে- কানাডায় প্রথমবারের মতো হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহে এক ব্যক্তিকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। দেশটির ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আক্রান্ত সন্দেহে ওই ব্যক্তি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি ঘিরে স্বাস্থ্য বিভাগে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং সম্ভাব্য সংক্রমণ ঠেকাতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বনি হেনরি জানান, আক্রান্ত ব্যক্তি ‘এমভি হন্ডিয়াস’ নামের একটি প্রমোদতরীর যাত্রী ছিলেন। জ্বর, মাথাব্যথা এবং হালকা শারীরিক অসুস্থতার উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক পরীক্ষায় তার শরীরে হান্টাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য রোগীর নমুনা কানাডার উইনিপেগে অবস্থিত ন্যাশনাল মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার ফল পাওয়ার পরই সংক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত করবে কর্তৃপক্ষ।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, আক্রান্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তি সাধারণ মানুষের সংস্পর্শে আসেননি। তাকে ভিক্টোরিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থার আওতায় নেওয়া হয়। ফলে আপাতত জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি নেই বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এমভি হন্ডিয়াস জাহাজে এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে অন্তত ১১ জন হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ কারণে জাহাজটিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোও পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, হান্টাভাইরাস সাধারণত ইঁদুরের মলমূত্র, লালা বা বর্জ্যের মাধ্যমে মানুষের শরীরে ছড়ায়। আক্রান্ত স্থানের ধুলাবালি শ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলেও সংক্রমণ হতে পারে। সাধারণ অবস্থায় এটি মানুষ থেকে মানুষে খুব সহজে ছড়ায় না।
তবে এবারের প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে যুক্ত ‘অ্যান্ডিস’ ধরনের হান্টাভাইরাস নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এই বিরল স্ট্রেইন সীমিত পরিসরে মানবদেহ থেকেও সংক্রমিত হতে পারে। যদিও এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল, তারপরও সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে।
কানাডার স্বাস্থ্য বিভাগ জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ইঁদুর বা বন্য প্রাণীর বর্জ্যের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র : শাফাক নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au