পল্লবীতে সাত বছরের শিশুকে হত্যা, শৌচাগার থেকে উদ্ধার বিচ্ছিন্ন মাথা
মেলবোর্ন, ১৯ মে- রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের এক শিশুকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। হত্যার পর শিশুটির বিচ্ছিন্ন মাথা বাসার শৌচাগার থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।…
মেলবোর্ন, ১৯ মে- ব্রিটিশ রাজপরিবারে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল। এবার চর্চার কারণ, রাজপরিবারের সদস্য পিটার ফিলিপসের আসন্ন বিয়েতে আমন্ত্রণ না পাওয়া। বিষয়টিকে ঘিরে নতুন করে রাজপরিবারের অভ্যন্তরীণ দূরত্ব ও সম্পর্কের টানাপোড়েন সামনে এসেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী জুনে গ্লুচেস্টারশায়ারে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পিটার ফিলিপসের বিয়েতে আমন্ত্রণ পাননি সাসেক্সের ডিউক প্রিন্স হ্যারি ও ডাচেস মেগান মার্কেল। পিটার ফিলিপস হলেন প্রিন্সেস অ্যানের ছেলে এবং রাজা তৃতীয় চার্লসের ভাতিজা।
রাজপরিবারবিষয়ক বিশ্লেষক মার্ক ডোলান এক পডকাস্টে বলেন, “এটি হ্যারির জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক হতে পারে। কারণ হ্যারি পিটারের প্রথম বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন, আবার পিটারও ২০১৮ সালে হ্যারি-মেগানের বিয়েতে অংশ নিয়েছিলেন। অথচ এবার আমন্ত্রণ তালিকায় তাদের নাম নেই।”
তিনি আরও বলেন, “রাজপরিবারের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি বেশ কঠোর সিদ্ধান্ত। যদিও ধারণা করা হচ্ছে, প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি এড়াতে হ্যারি হয়তো এমনিতেই অনুষ্ঠানে যেতেন না।”
রাজপরিবারবিষয়ক মহলে আলোচনা চলছে, দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় হ্যারি ধীরে ধীরে একঘরে হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য ছাড়ার পর থেকে রাজপরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে ওঠে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রিন্স হ্যারি এখনও নিজের পুরোনো জীবন ও পরিবারের প্রতি আবেগ অনুভব করেন। মার্ক ডোলান বলেন, “হ্যারি ইংল্যান্ড ও নিজের পরিবারকে খুব মিস করেন। এই আমন্ত্রণ না পাওয়া তাকে মানসিকভাবে আঘাত করবে।”
অন্যদিকে মেগান মার্কেলকে নিয়ে রাজপরিবারের ভেতরে এখনও অস্বস্তি রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সম্প্রতি ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ‘হিট ওয়ার্ল্ড’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী জুলাইয়ে যুক্তরাজ্য সফরের আগে মেগানের জন্য বিভিন্ন শর্ত ও নিশ্চয়তা চেয়েছেন হ্যারি।
আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য ‘ইনভিকটাস গেমস বার্মিংহাম ২০২৭’-এর কাউন্টডাউন অনুষ্ঠান এবং ‘ওয়েলচাইল্ড অ্যাওয়ার্ডসে’ অংশ নিতে জুলাইয়ে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার কথা রয়েছে প্রিন্স হ্যারির। মেগান তার সঙ্গে যাবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।
তবে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, হ্যারি চাইছেন মেগান যেন রাজপরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে সম্মানজনক আচরণ পান এবং তাকে আগেভাগেই নেতিবাচকভাবে বিচার না করা হয়।
সূত্রটি জানায়, “হ্যারি পরিবার থেকে এমন নিশ্চয়তা চাইছেন, যাতে মেগানকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে না হয়। তিনি চান, সবাই যেন ভদ্র আচরণ করেন এবং তাকে নিরপেক্ষভাবে গ্রহণ করেন।”
২০২০ সালে রাজপরিবারের দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করছেন হ্যারি ও মেগান। এরপর একাধিক সাক্ষাৎকার, আত্মজীবনী এবং ডকুমেন্টারিতে রাজপরিবার নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তারা। এতে রাজপরিবারের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়ে ওঠে বলে ধারণা করা হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au