যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানে নতুন করে কলেরার প্রাদুর্ভাব, মৃত ১২০
মেলবোর্ন,২ জুলাই-নযুদ্ধবিধ্বস্ত আফ্রিকার দেশ সুদানে নতুন করে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে কলেরা। সর্বশেষ প্রাদুর্ভাবে অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে গত মে মাস থেকে…
মেলবোর্ন,২ জুলাই- যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, হামলার শিকার কোনো পারমাণবিক স্থাপনায় বর্তমানে আইএইএর পরিদর্শনের অনুমতি নেই।
বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ফোরডো ফুয়েল এনরিচমেন্ট প্ল্যান্ট, নাতাঞ্জ নিউক্লিয়ার ফ্যাসিলিটি এবং ইসফাহান নিউক্লিয়ার টেকনোলজি সেন্টারে আইএইএর কোনো পরিদর্শক প্রবেশ করেননি এবং ভবিষ্যতেও তাদের সেখানে প্রবেশ বা পরিদর্শনের অধিকার নেই।
তিনি জানান, বর্তমানে আইএইএর পরিদর্শকদের কার্যক্রম কেবল দুটি পারমাণবিক স্থাপনায় সীমাবদ্ধ রয়েছে। এগুলো হলো বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং তেহরান গবেষণা চুল্লি। এই দুটি কেন্দ্র ছাড়া অন্য কোনো পারমাণবিক স্থাপনায় বিদেশি পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ আরও বলেন, ইরানের পার্লামেন্ট ইতোমধ্যে একটি আইন পাস করেছে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আইএইএর প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদও এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। ফলে সংশ্লিষ্ট পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশের সুযোগ আপাতত নেই।
অন্যদিকে, এর আগে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছিলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সমঝোতার অংশ হিসেবে আইএইএর পরিদর্শকদের ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে গিয়ে পরিদর্শনের সুযোগ পাওয়া উচিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই সংস্থার প্রতিনিধিরা সেখানে প্রবেশ করতে পারবেন।
তবে গালিবাফের সর্বশেষ বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যেও ইরান বিদেশি পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার সীমিত রাখার নীতিতেই অনড় রয়েছে। দেশটির পার্লামেন্ট ও জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই অবস্থান আরও কঠোরভাবে কার্যকর করা হয়েছে।
সুত্রঃ আল-জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au