চীনের ‘জুতার রাজধানী’ জিনজিয়াংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২৮
মেলবোর্ন, ১০ জুলাই- চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ফুজিয়ান প্রদেশের জিনজিয়াং শহরের একটি জুতার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অনেক মানুষ আহত…
মেলবোর্ন, ৯ জুলাই- আফ্রিকার মধ্যাঞ্চলীয় দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে ৬০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় এক হাজার ৭৫৯ জনে। স্থানীয় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ডিআর কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইবোলার ‘বুন্দিবুগিও’ প্রজাতির এই প্রাদুর্ভাব ইতোমধ্যে দেশটির ইতুরি, উত্তর কিভু ও দক্ষিণ কিভুর ৩৭টি স্বাস্থ্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি শোপো প্রদেশের কিসাঙ্গানি শহরেও দুই ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ইতুরি প্রদেশের নিয়া-নিয়া স্বাস্থ্য অঞ্চল থেকে সংক্রমিত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৭৫০ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে ২৮৫ জন বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আফ্রিকা আঞ্চলিক কার্যালয় জানিয়েছে, এবারের প্রাদুর্ভাবের অন্যতম উদ্বেগজনক দিক হলো অনেক রোগী চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছানোর আগেই মারা যাচ্ছেন। পাশাপাশি নতুন নতুন এলাকায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
গত ১৫ মে দেশটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ইবোলার প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ইতুরি প্রদেশে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মোট আক্রান্তের ৯০ শতাংশের বেশি এবং মোট মৃত্যুর ৮৪ শতাংশের বেশি ঘটনাই এই প্রদেশে ঘটেছে।
ডব্লিউএইচও সতর্ক করে জানিয়েছে, চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছানোর আগেই রোগীদের উচ্চ মৃত্যুহার ইঙ্গিত দেয় যে রোগ শনাক্তকরণ, আক্রান্তদের দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর, আইসোলেশন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এখনও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ জুলাই পর্যন্ত তদন্ত করা ৪৩০টি মৃত্যুর ঘটনার মধ্যে প্রায় ৪০০ জনই কোনো চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি হওয়ার আগেই মারা গেছেন। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ, সংক্রমিত ব্যক্তিদের বিচ্ছিন্ন রাখা এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au