চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
ওয়েস্টার্ন সিডনির আল-মদিনা মসজিদে গিয়ে বিরোধী দলনেতা পিটার ডাটন গতকাল মসজিদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে ২৫ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই সফরে মসজিদের ইমাম আহমেদ হুসাইন ডাটনকে স্বাগত জানালেও অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেকেই তার বিভিন্ন নীতি ও বক্তব্য নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানায়, ডাটনের ভিজিটের বিষয়ে মাত্র একদিন আগে তাদের জানানো হয়েছিল। ইমাম হুসাইন বলেন, “আল্লাহর ঘরে সবাইকে স্বাগত জানানো হয়। আমরা তাকে স্বাগত জানিয়েছি, যদিও আমাদের কমিউনিটির অনেক সদস্য তার নীতির সাথে একমত নন। বিশেষ করে লেবাননের মুসলিম অভিবাসন নিয়ে তার সমালোচনা আমাদের সম্প্রদায়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।”
পিটার ডাটন বলেন, কোয়ালিশন সরকার ইসলামোফোবিয়া দূতের ভূমিকা কতটা কার্যকর তা পর্যালোচনা করবে, তবে ইহুদি-বিদ্বেষ দূতের পদটি কোনো পর্যালোচনার মুখে পড়বে না। তিনি জানিয়েছেন, ইসলামোফোবিয়া দূতের পদটি রাখা হবে কিনা তা নির্ভর করবে এর কার্যকারিতার ওপর।
এসবিএস ওয়ার্ল্ড নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডাটন বলেন, “দূতের পদটি যদি কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আনে, তাহলে তা অব্যাহত রাখা যেতে পারে। তবে বর্তমানে অনেকেই এই পদটির পরামর্শ কতটা কার্যকরভাবে নেওয়া হচ্ছে তা নিয়ে হতাশ। তাই আমি পরামর্শ নেব।” পরে তার দলের একজন মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন যে, ইহুদি-বিদ্বেষ দূতের পদটি কোনোভাবেই পর্যালোচনা করা হবে না এবং ডাটন সরকার গঠিত হলে তা অব্যাহত থাকবে।
এই সফরের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী নির্বাচনে ওয়েরিওয়া আসনে লেবার দলের সাংসদ অ্যান স্ট্যানলির বিপক্ষে লিবারেল দলের লেবানিজ-অস্ট্রেলিয়ান প্রার্থী স্যাম কায়ালকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখতে চাইছে বিরোধী দল।
আল-মদিনা মসজিদে মূলত পাকিস্তানি ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুসলিমরা নামাজ আদায় করেন, যাদের ভোট এই আসনে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।
উল্লেখ্য, গাজা যুদ্ধ ও স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষের মধ্যে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ডাটন ইসলামোফোবিয়া বিষয়ক বিশেষ দূতের ভূমিকা পর্যালোচনার কথা বললেও ইহুদি-বিদ্বেষ দূতের পদ বজায় রাখার ঘোষণা দিয়েছেন, যা নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ে সমালোচনা হচ্ছে।
গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ইহুদি ও মুসলিম বিদ্বেষী ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় লেবার সরকার এই দুই বিশেষ দূতের পদ তৈরি করে।
রমজান শেষে ঈদুল ফিতরের উৎসব চললেও, গাজা যুদ্ধ নিয়ে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষের কারণে অনেক বড় মসজিদই রাজনীতিবিদদের আমন্ত্রণ জানাতে অনিচ্ছুক ছিল।
সূত্র-এসবিএস
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au