সমুদ্রের ২ হাজার মিটার গভীরেও মিলল প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহ প্রমাণ
মেলবোর্ন, ৭ আগষ্ট: সমুদ্রের গভীরতম ও সবচেয়ে দুর্গম এলাকাও আর প্লাস্টিক দূষণ থেকে মুক্ত নয়। নতুন এক গবেষণায় সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার মিটার…
মেলবোর্ন, ৭ আগষ্ট- চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য জোবাইরুল আলম। একই সঙ্গে তিনি জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে পুলিশ ও প্রশাসনের উদ্দেশে দেওয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন, অতীতের ঘটনাগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে আনোয়ারা উপজেলার চাতরী চৌমুহনী টানেল মোড়ে ১১-দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর উপলক্ষে গণরায়ের বাস্তবায়ন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
আনোয়ারা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি আবদুল গনির সভাপতিত্বে এবং উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবুল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে ১১-দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে দেওয়া জোবাইরুল আলমের বক্তব্যের একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডের ওই ভিডিও একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হওয়ার পাশাপাশি তিনি নিজেও সেটি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন।
বক্তব্যে জোবাইরুল আলম অভিযোগ করেন, আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনে এখনো দলীয় প্রভাব ও স্বজনপ্রীতির চর্চা চলছে। তাঁর দাবি, প্রশাসনিক বিভিন্ন সিদ্ধান্তে জনপ্রতিনিধিদের প্রভাব রয়েছে এবং সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বণ্টনেও বৈষম্যের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমরা এখনো দেখি, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে ইউএনও বা অন্য কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে গেলে বলা হয়, ‘এমপি সাহেবের সঙ্গে কথা বলুন।’ আমরা দেখি, এমপির নির্দেশনা ছাড়া উপজেলা প্রশাসনে কোনো ফাইল নড়ে না।”
সরকারি সহায়তা ও নিয়োগ কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির এই নেতা। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন সরকারি সুবিধা ও ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ভাগ-বাঁটোয়ারা হচ্ছে। অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষার্থী ও তরুণদের সুপারিশ নিয়ে আসতে বলা হচ্ছে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, “আপনারা কি ৩৬ জুলাই দেখেন নাই? তখন কীভাবে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা থানাগুলো জ্বালিয়ে দিয়েছিল? আপনারা কি তখন দেখেন নাই, জনগণের টাকায় চলা এই পুলিশকে আমরা পিটিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছিলাম?” তাঁর এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পরে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জোবাইরুল আলম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাঁর পুরো বক্তব্য প্রকাশিত হয়নি। তিনি দাবি করেন, বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল প্রশাসনকে সতর্ক করা, উসকানি দেওয়া নয়।
তিনি প্রথম আলোকে বলেন, “আমরা চাই না জনগণের ক্ষোভ আরও বাড়ুক। জুলাই আন্দোলনের সময় যেমন পরিস্থিতি হয়েছিল, আমরা চাই না প্রশাসনের সঙ্গে আবার তেমন মুখোমুখি অবস্থা তৈরি হোক। বক্তব্যে আমি সেটাই বোঝাতে চেয়েছি। আমরা একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ চাই।”
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au