সমুদ্রের ২ হাজার মিটার গভীরেও মিলল প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহ প্রমাণ
মেলবোর্ন, ৭ আগষ্ট: সমুদ্রের গভীরতম ও সবচেয়ে দুর্গম এলাকাও আর প্লাস্টিক দূষণ থেকে মুক্ত নয়। নতুন এক গবেষণায় সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার মিটার…
মেলবোর্ন, ৭ আগষ্ট- ভিসা, গ্রিন কার্ডসহ বিভিন্ন অভিবাসন-সুবিধার আবেদন প্রক্রিয়ায় নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন নীতির আওতায়, অসম্পূর্ণ বা প্রয়োজনীয় নথিপত্র ছাড়া জমা দেওয়া আবেদন অতিরিক্ত তথ্য চাওয়ার সুযোগ না দিয়েই সরাসরি বাতিল করতে পারবেন মার্কিন অভিবাসন কর্মকর্তারা।
ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নীতির ঘোষণা দিয়েছে।
ইউএসসিআইএস জানায়, আবেদন জমা দেওয়ার সময়ই আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট অভিবাসন-সুবিধার জন্য নিজের যোগ্যতার পর্যাপ্ত প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিক নথি দাখিল করতে হবে। এসব নথিতে ঘাটতি থাকলে কর্মকর্তারা অতিরিক্ত তথ্য চেয়ে রিকোয়েস্ট ফর এভিডেন্স (আরএফই) বা নোটিশ অব ইন্টেন্ট টু ডিনাই (এনওআইডি) জারি না করেই আবেদন বাতিল করতে পারবেন।
সংস্থাটি বলেছে, প্রতিটি আবেদনপত্র ও নির্দেশিকায় প্রয়োজনীয় নথির তালিকা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। তাই আবেদনকারীদের শুরু থেকেই পূর্ণাঙ্গ আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
ইউএসসিআইএসের ভাষ্য, নতুন নীতিটি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস)-এর বিদ্যমান নিয়ন্ত্রক ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে অভিবাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়বে এবং ভিত্তিহীন বা অসম্পূর্ণ আবেদন জমা দেওয়ার প্রবণতা কমবে।
এ নীতির মাধ্যমে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সময় অনুসৃত একটি নীতির পরিবর্তন আনা হয়েছে। সে সময় আবেদন অসম্পূর্ণ হলেও তা বাতিলের আগে কর্মকর্তাদের আবেদনকারীর কাছে অতিরিক্ত তথ্য বা নথি চেয়ে আরএফই পাঠাতে উৎসাহিত করা হতো।
ইউএসসিআইএসের দাবি, আগের ব্যবস্থার কারণে অসম্পূর্ণ বা গুরুতর ত্রুটিযুক্ত আবেদনও দীর্ঘ সময় ধরে প্রক্রিয়াধীন থাকত, যা অন্যান্য আবেদন নিষ্পত্তিতে বিলম্ব সৃষ্টি করত। পাশাপাশি, কিছু আবেদনকারী কর্মসংস্থানের অনুমতির মতো সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে তথাকথিত ‘প্লেসহোল্ডার’ আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ পেতেন।
সংস্থাটি জানিয়েছে, সংশোধিত নীতির ফলে উপযুক্ত ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা আরএফই বা এনওআইডি জারি না করেই আবেদন বাতিলের ক্ষমতা আবারও ফিরে পেয়েছেন। এতে সংস্থার সম্পদের আরও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়বে এবং ভিত্তিহীন আবেদন দাখিল নিরুৎসাহিত হবে।
নতুন নীতিমালা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। বিদ্যমান কোনো আইন বা ইউএসসিআইএসের নীতিতে ভিন্ন কিছু উল্লেখ না থাকলে, ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট বা তার পর জমা দেওয়া এবং ওই সময় পর্যন্ত বিচারাধীন থাকা সব অভিবাসন-সুবিধার আবেদনের ক্ষেত্রে এ নীতি প্রযোজ্য হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au