গুলি।প্রতীকী ছবি: রয়টার্স
মেলবোর্ন, ৮ আগষ্ট- ঢাকার মিরপুর-১১ নম্বরে প্রাইভেট কার থেকে নেমে এক বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা ও মাছের আড়তদার আলমগীর হোসেন (৪৫) এবং এক পথচারী নারী আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের ‘বি’ ব্লকের একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত আলমগীর হোসেনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের লালবাগ-নবাবগঞ্জ রোড এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য। আহত পথচারী জোসনা (৬৫) মিরপুর-১১ নম্বরের ‘বি’ ব্লকের বাসিন্দা। তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে। স্থানীয় একটি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
প্রাইভেট কার থেকে নেমে গুলি
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে আলমগীর হোসেন অন্যদের সঙ্গে চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেট কার এসে থামে। গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
গুলিতে আলমগীরের মাথা ও পিঠে তিনটি গুলি লাগে। এ সময় কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন জোসনা।
ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আলমগীর জানান, প্রাইভেট কার থেকে চারজন নেমে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। পরে তাঁরা গাড়িতে করে পালিয়ে যান। হামলাকারীদের মধ্যে দুজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন বলে দাবি করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁরা যুবলীগের রুবেল ও বাপ্পী।
তবে হামলার কারণ সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত নন বলে জানান।
মাছের আড়তের ব্যবসা করেন আলমগীর
আলমগীর জানান, পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে ভাইয়ের সঙ্গে তাঁর মাছের আড়তের ব্যবসা রয়েছে। নবাবগঞ্জ রোডে তাঁদের বাড়ি হলেও বর্তমানে তিনি সপরিবার মিরপুর-১১ নম্বরের ‘বি’ ব্লকে থাকেন।
পুলিশের একটি সংস্থার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেলের সঙ্গে আলমগীরের বিরোধ তৈরি হয়েছিল। সেই বিরোধের জেরেই এ হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে হামলার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির জানান, স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেল আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে তিনি ও একজন পথচারী আহত হন। হামলার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।