মানবিক বিভাগে ১০০ ছাত্রের ৫৯ জনই ফেল
মেলবোর্ন, ১০ আগষ্ট: চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে মানবিক বিভাগে ছাত্রদের ফলাফলে বড় ধরনের অবনমন দেখা গেছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা…
মেলবোর্ন, ১০ আগষ্ট: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁয়, দুজনের বাড়ি নাটোরে এবং একজনের বাড়ি রাজশাহীতে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় বাংলাদেশে নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ৮টা ১৭ মিনিটে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করলে কারখানার ভেতরে থাকা বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি সেখানে আটকা পড়েন। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর একে একে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয়ও প্রকাশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাঁরা হলেন নওগাঁর ফরিদ, শুভ, রুবেল প্রামাণিক, সুমন, কলিমউদ্দিন, মোহন প্রামাণিক, সুমন প্রামাণিক, মিনহাজ, হৃদয়, শাহিন, আবদুল জলিল, মজিদুল ও সাগর। নাটোরের নিহত দুজন হলেন শামিম ও সাব্বির। আর রাজশাহীর নিহত ব্যক্তি হলেন শ্যামল।
অগ্নিকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নিহতদের বাড়িতে স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়। বিশেষ করে নওগাঁর বিভিন্ন এলাকায় একসঙ্গে এতজন প্রবাসীর মৃত্যুর খবরে স্থানীয়দের মধ্যেও গভীর শোক নেমে এসেছে।
এদিকে দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁরা নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা, মরদেহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের কাজ করছেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের মরদেহ দেশে ফেরত আনা এবং তাঁদের পরিবারের প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে মন্ত্রণালয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
মর্মান্তিক এই ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গভীর শোক ও আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন। তাঁরা নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এই অপূরণীয় ক্ষতি ও কঠিন সময়ে সরকার পরিবারগুলোর পাশে থাকবে।
কারখানাটিতে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং কারখানাটির নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au