বাংলাদেশ

দ্য টাইমস অফ ইসরাইল- পূর্ণ লাল চাকমার মতামত অবলম্বনে

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইউনূসের অনুপস্থিত: ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন ইঙ্গিত!

ঢাকার রাজনৈতিক সমীকরণে মুহাম্মদ ইউনূসের প্রভাব কমে আসা দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন এবং সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথ সহজ করতে পারে

  • 9:53 pm - August 11, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২২ বার
শেখ হাসিনা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার কেন্দ্রে একসময় মুহাম্মদ ইউনূস ছিলেন। ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে তিনি আরও কয়েক বছর বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর কেন্দ্রে থাকতে পারতেন। ছবি: ওটিএন বাংলা

মেলবোর্ন, ১১ আগষ্ট: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে এবার একটি তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। শেখ হাসিনার পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পালাবদলের কেন্দ্রে থাকা মুহাম্মদ ইউনূস এখন আর রাষ্ট্রপতি হওয়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নেই।

ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার দিকে এগোচ্ছে। অন্যদিকে, বিরোধী ১১–দলীয় জোট বেছে নিয়েছে প্রবীণ রাজনীতিক কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে। সংসদ স্থায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

এই নির্বাচন কে রাষ্ট্রপতি হবেন, তা নির্ধারণ করবে। তবে সম্ভবত আরও তাৎপর্যপূর্ণ প্রশ্ন হলো—কে রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন না।

দীর্ঘদিন ধরেই মুহাম্মদ ইউনূসের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার পর অনেকে ধারণা করেছিলেন, নোবেলজয়ী এই ব্যক্তিত্ব রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় দীর্ঘ মেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রাখতে পারেন। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি বলছে, সেই সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে।

বিষয়টি শুধু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সময়টি ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের অন্যতম কঠিন একটি অধ্যায় হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে চলে যাওয়ার পর ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেন। ঢাকার এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের পরিবেশও দ্রুত বদলে যায়।

শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার, সীমান্ত পরিস্থিতি, বাণিজ্য ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়তে থাকে। বাংলাদেশে ভারতবিরোধী বক্তব্য আগের তুলনায় অনেক বেশি উচ্চকিত হয়ে ওঠে। একই সময়ে ভারতের কিছু মহল থেকেও উসকানিমূলক ও অসংযত বক্তব্য আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এসব উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

বাংলাদেশের কোনো কোনো মহল ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ‘সেভেন সিস্টার্স’ এবং এমনকি কলকাতাকে ঘিরেও ভূখণ্ডগত মন্তব্য করতে শুরু করে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ভারতের কিছু কণ্ঠ বাংলাদেশকে নিয়ে একই ধরনের দাবি তোলে; যার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রসঙ্গও ছিল। অথচ এই অঞ্চলের বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠী কয়েক দশক ধরে সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি ও বৈষম্যের শিকার। ভূমির সুরক্ষা, সমান অধিকার এবং রাজনৈতিক মর্যাদার দাবিতে তারা এখনো সংগ্রাম করছে।

চার হাজার কিলোমিটারের বেশি সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া দুই প্রতিবেশী দেশের জনপরিসরের আলোচনায় এমন বিপজ্জনক অবনতি ছিল অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

এই উত্তেজনার সবচেয়ে সংবেদনশীল মুহূর্তগুলোর একটি আসে ২০২৫ সালের মার্চে মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফরের সময়। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি ‘সেভেন সিস্টার্স’কে স্থলবেষ্টিত অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বাংলাদেশকে ওই অঞ্চলের সমুদ্রপথের প্রবেশদ্বার হিসেবে তুলে ধরেন। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কাজে লাগিয়ে চীনকে অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের সুযোগ গ্রহণের আহ্বানও জানান তিনি।

বাংলাদেশের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টিকে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা হিসেবে উপস্থাপন করা সম্ভব। কিন্তু ভারতের কাছে এর কৌশলগত তাৎপর্য ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সরু শিলিগুড়ি করিডরের মাধ্যমে দেশটির মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। একই সঙ্গে চীন এশিয়ায় ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী। ফলে চীন, বাংলাদেশ এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতাকে একই আলোচনায় নিয়ে আসা নয়াদিল্লির উদ্বেগ বাড়াবে—এটাই স্বাভাবিক।

এই প্রেক্ষাপটেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আলোচনায় ইউনূসের অনুপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদ প্রধানত আনুষ্ঠানিক এবং নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। তারপরও রাষ্ট্রপতি দেশের সাংবিধানিক প্রধান এবং পদটির গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী মর্যাদা রয়েছে।

ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে তিনি আরও কয়েক বছর বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর কেন্দ্রে থাকতে পারতেন। কিন্তু দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক পক্ষই এখন ভিন্ন প্রার্থীকে সামনে এনেছে। মির্জা ফখরুল ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং অলি আহমদ বিরোধী জোটের প্রার্থী। রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ে দুই শিবিরের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও কোনো পক্ষই ইউনূসকে বেছে নেয়নি।

তবে ভারত ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হতে বাধা দিয়েছে—এমন কোনো প্রকাশ্য প্রমাণ নেই। তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কোনো গোপন সমঝোতা হয়েছে—এমন প্রমাণও পাওয়া যায়নি। অনুমানকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন না করার জন্য এই পার্থক্যটি স্পষ্ট রাখা জরুরি।

কূটনীতিতে অবশ্য সব সমঝোতার লিখিত দলিল জনগণের সামনে আসে না। কখনো কখনো পরিবর্তিত রাজনৈতিক স্বার্থ কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়াই একটি নির্দিষ্ট ফলাফলের জন্ম দেয়। তাই ভারত গোপনে ইউনূসকে রাষ্ট্রপতির দৌড় থেকে সরিয়েছে কি না, সেটি মূল প্রশ্ন হওয়া উচিত নয়। কারণ এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই। বরং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—তাঁর অনুপস্থিতি কি ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক পুনর্গঠনকে সহজ করবে?

নয়াদিল্লির দৃষ্টিকোণ থেকে এর উত্তর ইতিবাচক হতে পারে। বাংলাদেশে ভারতের উদ্বেগ কোনো একজন রাজনৈতিক নেতাকে ঘিরে সীমাবদ্ধ নয়। ভারত তার পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে স্থিতিশীলতা, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা এবং বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে নির্ভরযোগ্য সড়ক, রেল ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ চায়। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে কৌশলগত প্রতিযোগিতা ভারতের স্পর্শকাতর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দোরগোড়ায় পৌঁছাক—এটিও নয়াদিল্লি চাইবে না।

ঢাকায় কম সংঘাতপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ রক্ষা করবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশকে ভারতপন্থী হতে হবে কিংবা ভারতের সব দাবি মেনে নিতে হবে। একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ভারত যেমন নিজের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে, বাংলাদেশকেও তেমনি নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।

কিন্তু মতপার্থক্য এবং শত্রুতা এক বিষয় নয়। একই নীতি ভারতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বাংলাদেশের ভূখণ্ড কিংবা জনগণকে অসম্মান করে কথা বলে ভারতীয় রাজনীতিক ও ভাষ্যকাররা বাংলাদেশের বন্ধুত্ব প্রত্যাশা করতে পারেন না। উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য দুই দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে, তার ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই পাওয়া গেছে। সেই পথে চলতে থাকলে কোনো পক্ষই লাভবান হবে না।

শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানও দুই দেশের সম্পর্কের ওপর ছায়া ফেলছে। তিনি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ফিরবেন কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। তবে নিজের বৃহত্তর কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার জন্য ভারতকে শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতেই হবে—এমন নয়।

নয়াদিল্লির প্রয়োজন এমন একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য বাংলাদেশ, যে নিজের মতপার্থক্য তুলে ধরবে, কিন্তু ভারতকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করবে না। একইভাবে বাংলাদেশের প্রয়োজন এমন একটি শক্তিশালী প্রতিবেশী, যে তার সার্বভৌমত্বকে সম্মান করবে এবং বাণিজ্য, যোগাযোগ ও কূটনৈতিক আলোচনার দরজা খোলা রাখবে।

এই ক্ষেত্রে রাজনীতির চেয়ে ভূগোলের শক্তিই শেষ পর্যন্ত বেশি। সরকার বদলায়, নেতার পতন ঘটে, জোট ভেঙে যায় এবং জনরোষও একসময় প্রশমিত হয়। কিন্তু ভারত ও বাংলাদেশ চিরকাল প্রতিবেশীই থাকবে।

দুই দেশ একই নদী, সীমান্ত, বাজার, নিরাপত্তা-উদ্বেগ এবং ইতিহাসের অংশীদার। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ উন্নত করতে ভারতের বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রয়োজন। অন্যদিকে, বিশাল ভারতীয় বাজারে প্রবেশাধিকার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা থেকে বাংলাদেশ উপকৃত হয়। চাইলেও কোনো দেশ অন্যটির কাছ থেকে সরে যেতে পারবে না।

তাই বাংলাদেশের এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষ পর্যন্ত বিজয়ীর পরিচয়ের বাইরেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি হয়তো কে রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, তা নয়; বরং কোন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন না—সেখানেই নিহিত।

শেখ হাসিনা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার কেন্দ্রে একসময় মুহাম্মদ ইউনূস ছিলেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাঁর অনুপস্থিতি ভারতের কোনো কূটনৈতিক বিজয় কিংবা ঢাকা–নয়াদিল্লির গোপন সমঝোতা প্রমাণ করে না। তবে এটি দুই দেশের তুলনামূলক শান্ত সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পথে একটি বাধা দূর করতে পারে।

বাংলাদেশে ভারতবিরোধী বক্তব্য কমে এলে, ভারতের উসকানিমূলক কণ্ঠগুলোও সংযত হলে এবং দুই সরকার আবার বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও কূটনীতিতে মনোযোগী হলে—এই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।

এটি ভারতের জন্য ইতিবাচক হবে, বাংলাদেশের জন্যও মঙ্গলজনক হতে পারে। প্রায় দুই বছর ধরে দুই পক্ষের বক্তব্য কখনো কখনো বিপজ্জনকভাবে ভূখণ্ডগত সংঘাতের কাছাকাছি পৌঁছেছিল। এখন সম্ভবত উভয় দেশের জন্য সবচেয়ে বড় অর্জন হবে নাটকীয় কোনো কূটনৈতিক বিজয় নয়; বরং পরস্পরের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে আবারও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথ শেখা।

এটি লেখকের ব্যক্তিগত মতামত। মূল ইংরেজি নিবন্ধটি দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের ‘দ্য ব্লগস’ বিভাগে প্রকাশিত; এর বক্তব্য প্রকাশনা কর্তৃপক্ষের সম্পাদকীয় অবস্থানকে আবশ্যিকভাবে প্রতিফলিত করে না।

এই শাখার আরও খবর

চেলসির এনজো ফার্নান্দেজের দাম ১২০ মিলিয়ন পাউন্ড, আগ্রহী ম্যানসিটি

মেলবোর্ন, ১১ আগষ্ট:  আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজকে দলে নিতে আগ্রহী ম্যানচেস্টার সিটি। তবে চেলসির এই তারকাকে পেতে হলে বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করতে হবে ইংলিশ…

সিরিয়ায় সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড

মেলবোর্ন, ১১ আগষ্ট- সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধকালীন গুরুতর অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট দামেস্কের…

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলায় মৃতের সংখ্যা ২০০০ ছাড়াল

মেলবোর্ন, ১১ আগষ্ট: গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসের বর্তমান প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত ২ হাজার…

যুক্তরাষ্ট্রে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা খারিজ, বন্ধ হলো ঘুষ-প্রতারণার বিচার

মেলবোর্ন, ১১ আগষ্ট:  ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে চলমান ফৌজদারি মামলা শেষ পর্যন্ত খারিজ করে দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। মার্কিন বিচার বিভাগ তার…

বাড়ির দাম কমার স্বস্তি কেড়ে নিচ্ছে সুদের হার, অস্ট্রেলিয়ায় ক্রেতারা বিপাকে

মেলবোর্ন, ১১ আগষ্ট: অস্ট্রেলিয়ায় গড় বেতন পাওয়া দুই সদস্যের একটি দম্পতির বাড়ি কেনার জন্য ঋণ নেওয়ার সক্ষমতা চার দফা সুদের হার বৃদ্ধির পর আনুমানিক ৯২ হাজার…

শেকড়ের বাংলাদেশ: সংস্কৃতি বাঁচলে জাতি বাঁচে

মেলবোর্ন, ১১ আগষ্ট: একটা জাতিকে বোমা মেরে শেষ করা যায়। ট্যাংক দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু তার চেয়েও ভয়ংকর একটা মৃত্যু আছে-সেটা হলো সংস্কৃতির মৃত্যু। সংস্কৃতি…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au