বাংলাদেশ

মামলা নেই, মরদেহের ময়নাতদন্তও হয়নি: সীতাকুণ্ডে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে প্রশ্ন

  • 1:42 am - August 16, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২৮ বার
এক শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আজ সকালে তোলা।ছবি: সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ১৬ আগষ্ট- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যুর একদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। নিহতদের মধ্যে আটজনের মরদেহের ময়নাতদন্তও করা হয়নি। পুলিশ বলছে, নিহতদের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে আইনজীবী ও শ্রমিক নেতারা বলছেন, অস্বাভাবিক ও দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ঘটনায় ময়নাতদন্ত না হওয়া ভবিষ্যৎ তদন্ত ও দায় নির্ধারণে জটিলতা তৈরি করতে পারে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পুরোনো একটি জাহাজের বদ্ধ চেম্বারে কাটার কাজ করার সময় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে ৯ শ্রমিক মারা যান। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চারজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহত শ্রমিকরা হলেন সানি দাস, পলাশ দাস, মনসুর আহমেদ, নাসের উদ্দিন, রানা মিয়া, হাবিবুর রহমান, খোকন মিয়া, আব্দুল আলিম সুজন ও মতিউর রহমান সাজ্জাদ।

দুর্ঘটনার পর জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিস্ফোরক অধিদপ্তর। শনিবার (১৫ আগস্ট) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিস্ফোরক অধিদপ্তর চট্টগ্রামের সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক এসএম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, মাল্টি-গ্যাস ডিটেক্টরের মাধ্যমে জাহাজের ভেতরে অতিরিক্ত মাত্রায় হাইড্রোজেন সালফাইড পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে এই গ্যাসের বিষক্রিয়াকেই দুর্ঘটনার মূল কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সমন্বিত কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথমে জাহাজের ভেতর থেকে হাইড্রোজেন সালফাইড অপসারণ করা হবে। সাধারণত এই গ্যাস পানিতে দ্রবীভূত হয়। তাই পানি দিয়ে জাহাজের ভেতরের অংশ ধুয়ে গ্যাস অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো বদ্ধ ও গভীর স্থানে শ্রমিকদের পাঠানোর আগে সেখানে বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে শ্রমিকদের শ্বাস-প্রশ্বাসের সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহারের ব্যবস্থাও থাকতে হয়। দুর্ঘটনার সময় এসব নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথভাবে নেওয়া হয়েছিল কি না, সেটিই এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

৮ মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়নি

দুর্ঘটনার পর নিহতদের আটজনের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়েছিল। অপর একজনের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়নি। হাসপাতালে আনা আট মরদেহের মধ্যে মাত্র একজনের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। বাকি সাতজনের মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন সাপেক্ষে সেগুলো স্বজনদের কাছে দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, হাসপাতালে আটজনের মরদেহ আনা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে একজনের ময়নাতদন্ত হয়েছে। বাকিদের মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন নিয়ে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ অবশ্য বলছে, তারা আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী ময়নাতদন্তের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু নিহতদের পরিবারের সদস্যরা ময়নাতদন্তে রাজি হননি।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল বলেন, আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এতে সম্মতি দেয়নি। তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহত এক শ্রমিকের স্বজনদের আহাজারি। আজ সকালে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারিতে।ছবি: সংগৃহীত

এখনো হয়নি মামলা

৯ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে ঘটনার বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল বলেন, ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম চলছে। আপাতত থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। নিহত শ্রমিকদের পরিবারের কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে আইনজীবীদের মতে, শ্রমিকদের কর্মস্থলে এমন দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে শুধু পরিবারের অভিযোগের ওপর নির্ভর না করে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান খান বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারায় অস্বাভাবিক ও দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে পুলিশকে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করতে হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করতে হয়। মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।

তিনি বলেন, অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে মামলা হলে মৃত্যুর চিকিৎসাগত কারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ময়নাতদন্ত না থাকলে পরবর্তী সময়ে মৃত্যুর কারণ নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই প্রতিটি মৃত্যুর ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত ছিল।

‘ময়নাতদন্ত না হওয়া সন্দেহজনক’

শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইফতেখার কামাল খান বলেন, জাহাজভাঙা শিল্পে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। একের পর এক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির পরও অনেক ইয়ার্ডে কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়নি।

তিনি বলেন, আট শ্রমিকের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি সন্দেহ তৈরি করছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী এবং দুর্ঘটনার জন্য কারা দায়ী, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি বা মালিকপক্ষের কারণে তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব বলেন, দুর্ঘটনার ঘটনায় রাষ্ট্র বা ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ মামলা করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিয়ে যাওয়ার অনুমতি চাওয়ার বিষয়টি প্রশ্ন তৈরি করে।

তিনি আরও বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর যথাযথ তদারকি না থাকলে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে। অথচ দুর্ঘটনার পর দায় নির্ধারণ ও জবাবদিহিতার বিষয়টি অনেক সময় সামনে আসে না।

আগেও নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগ

ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজের বিরুদ্ধে এর আগেও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানটিকে নিরাপত্তা ত্রুটি দূর করার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়। পরে ৪ মে পুনরায় পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনে আগের নির্দেশনা বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত অগ্রগতি না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে আবারও তাগিদ দেওয়া হয়।

এরপর গত ৮ জুন প্রতিষ্ঠানটিকে চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়। নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করায় গত ১৫ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম শ্রম আদালতে মামলা করা হয়।

অর্থাৎ, প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার আগে থেকেই প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সরকারি পর্যায়ে আপত্তি ও সতর্কতা ছিল। এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, আগের নির্দেশনাগুলো কতটা বাস্তবায়ন করা হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেগুলো যথাযথভাবে তদারকি করেছিল কি না।

একাধিক তদন্ত কমিটি

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লিং অ্যাসোসিয়েশন, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটিগুলো দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ, জাহাজের ভেতরে গ্যাস শনাক্ত ও অপসারণের ব্যবস্থা, কাজ শুরুর আগে নিরাপত্তা পরীক্ষা, শ্রমিকদের নিরাপত্তা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবে।

এ ছাড়া দুর্ঘটনার সময় জাহাজটি যথাযথভাবে গ্যাসমুক্ত করা হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জাহাজটি আগে এলএনজি পরিবহনে ব্যবহৃত হতো।

নিহতদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা সহায়তা

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহত শ্রমিকদের দেখতে গিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নিহত প্রত্যেক শ্রমিকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, তদন্তে কারও গাফিলতি বা প্রভাব বিস্তারের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে শ্রমিক অধিকারকর্মীরা বলছেন, শুধু আর্থিক সহায়তা দিয়ে এমন দুর্ঘটনার দায় শেষ করা যাবে না। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা, দায়ীদের চিহ্নিত করা এবং ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

‘বিচারে আস্থা নেই’

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক মনিরা পারভীন বলেন, নিম্ন আয়ের অনেক পরিবার মরদেহের ময়নাতদন্ত করাতে চান না। এর পেছনে সামাজিক ও পারিবারিক নানা কারণ রয়েছে। পাশাপাশি অতীতে দুর্ঘটনার পর দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও অনেক ক্ষেত্রে দৃশ্যমান বিচার না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

তার মতে, রাষ্ট্রের উচিত শ্রমিকের মৃত্যুর মতো গুরুতর ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং বিচার দৃশ্যমান করা। তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোও আইনের আশ্রয় নিতে উৎসাহিত হবে।

সব মিলিয়ে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ৯ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে, দুর্ঘটনাটি নিছক বিষাক্ত গ্যাসের বিষক্রিয়া ছিল, নাকি এর পেছনে নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি ও দায়িত্বে অবহেলাও ছিল। ময়নাতদন্ত না হওয়া এবং এখনো মামলা না হওয়ার কারণে সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন আইনজীবী ও শ্রমিক নেতারা। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এবং পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপেই এখন নির্ভর করবে এই প্রাণহানির ঘটনায় প্রকৃত দায় কার, সেটি কতটা স্পষ্ট হয়।

এই শাখার আরও খবর

সিরাজগঞ্জে বিএনপির এমপি আয়নুল হকের গাড়িতে হামলা

মেলবোর্ন, ১৬ আগষ্ট- সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ ও সলঙ্গার আংশিক) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হকের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে সিরাজগঞ্জের ধানগড়া…

ডারউইন টেস্টে জয়ের হাতছানি বাংলাদেশের, তবে শেষ হাসি কার?

মেলবোর্ন, ১৬ আগস্ট ২০২৬: ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সামনে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের হাতছানি। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই বাংলাদেশের হাতে থাকলেও এখনই জয়…

টটেনহ্যাম অধ্যায়ের ইতি, আতলেতিকো মাদ্রিদে আর্জেন্টাইন তারকা রোমেরো

মেলবোর্ন, ১৬ আগস্ট ২০২৬: টটেনহ্যাম হটস্পারের সঙ্গে পাঁচ বছরের সম্পর্কের ইতি টেনে স্প্যানিশ ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দিয়েছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। ২৮ বছর…

‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’-এর দ্বিতীয় ট্রেলার, ডুমের মুখোমুখি মার্ভেলের সব সুপার হিরো

মেলবোর্ন, ১৬ আগস্ট ২০২৬: মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের (এমসিইউ) বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’-এর দ্বিতীয় ট্রেলার প্রকাশ করেছে মার্ভেল স্টুডিও। ডিজনির জনপ্রিয় ‘D23’ ফ্যান কনভেনশনে উন্মোচিত প্রায়…

এক যুগ পর রোমের মঞ্চে জেমস, চলছে ইউরোপজুড়ে কনসার্ট সফর

মেলবোর্ন, ১৬ আগস্ট ২০২৬:  বাংলাদেশের জনপ্রিয় রকস্টার জেমস প্রায় এক যুগ পর আবারও ইতালির রোমের মঞ্চে উঠতে যাচ্ছেন। প্রায় দুই মাসের ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে…

১০৯ বছর আগে ব্রিটিশ সরকারকে দেওয়া ঋণ ফেরত চান ভারতীয় ব্যবসায়ীর উত্তরসূরিরা

মেলবোর্ন, ১৫ আগষ্ট- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারকে দেওয়া ৩৫ হাজার টাকার একটি পুরোনো ঋণ ১০৯ বছর পর সুদসহ ফেরত চেয়েছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের এক ব্যবসায়ী পরিবারের…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au