বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।ছবি: সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ১৭ আগষ্ট- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমেই বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান করা সম্ভব।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে ঢাকার বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তাঁর স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর খুব শিগগিরই হওয়া উচিত। তাঁর মতে, দুই দেশের মধ্যে যেসব সমস্যা বা মতপার্থক্য রয়েছে, সেগুলো আলোচনার টেবিলেই সমাধান করা সম্ভব।
তিনি বলেন, ‘শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব।’
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে হৃদয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ ও ভারত শুধু পাশাপাশি অবস্থান করা দুটি দেশ নয়, দুই দেশের মানুষের মধ্যে অভিন্ন স্বপ্নও রয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। দুই দেশেরই বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে কোনো চ্যালেঞ্জ না থাকলে সেটিকে গণতন্ত্র বলা যায় না। গণতন্ত্র অনেক সময় বিশৃঙ্খল মনে হলেও আলোচনা ও মতবিনিময়ের মধ্য দিয়েই সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যায়।
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য, বিতর্ক ও যুক্তি-তর্ক থাকা স্বাভাবিক। এসব বিষয় আলোচনার মাধ্যমে মোকাবিলা করা সম্ভব।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুজনই জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নেতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই নেতার লক্ষ্যও অভিন্ন।
তিনি বলেন, ‘যখন এমন দুই নেতা বৈঠক করেন এবং আলোচনা করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা নেই, যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়।’
দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন দীনেশ ত্রিবেদী।
তাঁর বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।