বাংলাদেশ

শেখ হাসিনা ইস্যুতে কী করবে ভারত? সামনে তিন পথ

  • 4:01 am - August 23, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৮৪ বার
শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ২৩ আগষ্ট- শেখ হাসিনাকে নিয়ে ভারত এখন কী করবে, সেই সিদ্ধান্ত শুধু বন্ধুত্ব, আবেগ, কৌশলগত সুবিধা কিংবা ঢাকার বর্তমান সরকারের সঙ্গে বিরক্তির ভিত্তিতে নেওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে ভারতের পক্ষে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে আশ্রয় দিয়ে রাখাও সম্ভব নয়। কারণ, দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম প্রধান বিরোধের বিষয় হয়ে উঠেছেন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা এরই মধ্যে প্রকাশ্যে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি চলতি বছরের শেষ নাগাদ দেশে ফিরতে পারেন বলেও জানিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে মানবতাবিরোধী অপরাধে দেওয়া দণ্ডের মুখোমুখি করতে চায়। অনুপস্থিতিতে বিচার শেষে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁর প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশ ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধও জানিয়েছে। ভারত জানিয়েছে, প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিষয়টি পরীক্ষা করা হচ্ছে।

ফলে শেখ হাসিনার বিষয়টি এখন আর কেবল ব্যক্তিগত আশ্রয়ের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই। এটি আইনি প্রক্রিয়া, কূটনীতি এবং ভূরাজনীতির জটিল সমীকরণে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশের পরিবর্তিত বাস্তবতা মেনে নিতে হবে ভারতকে

ভারতের প্রথমেই একটি বিষয় স্বীকার করা প্রয়োজন। দীর্ঘ ১৭ বছর শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর তাঁর আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অবস্থান নাটকীয়ভাবে বদলে গেলেও দলটিকে রাজনৈতিক বাস্তবতা থেকে পুরোপুরি মুছে দেওয়া সম্ভব নয়।

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত। দলটিকে স্থায়ীভাবে রাজনীতির বাইরে রাখা হবে, নাকি বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর নেতাকর্মীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা নিয়েও বাংলাদেশে বিতর্ক রয়েছে।

এর মধ্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বিএনপি ক্ষমতায় ফিরে এসেছে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। গত ২০ আগস্ট বিএনপির প্রবীণ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। অর্থাৎ শেখ হাসিনার পতনের পর যে অন্তর্বর্তী রাজনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল, বাংলাদেশ এখন আর সেই কাঠামোর অধীনে নেই।

তাই ভারতের উচিত পছন্দের বাংলাদেশের সঙ্গে নয়, বাস্তবে যে বাংলাদেশ তৈরি হয়েছে, সেই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করা।

তবে একই সঙ্গে শুধু ঢাকার পক্ষ থেকে সম্পর্ক উন্নয়নের শর্ত হিসেবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি করা হচ্ছে বলে ভারতকে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়াও উচিত হবে না। বাংলাদেশের সরকার ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের জন্য আরও অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন এবং শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ তাদের অন্যতম প্রধান দাবি।

এখানেই কূটনীতি ও আত্মসমর্পণের মধ্যে পার্থক্য তৈরি হয়।

প্রত্যর্পণ মানেই নির্বাসন নয়

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। তবে প্রত্যর্পণ মানেই কাউকে কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই দেশে ফেরত পাঠানো নয়। এর সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া, বিচারিক পর্যালোচনা এবং চুক্তির নির্দিষ্ট শর্ত জড়িত।

ভারতের কর্মকর্তারাও ইঙ্গিত দিয়েছেন, শেখ হাসিনার বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আইন ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বিবেচনা করা হবে। এটি কেবল রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয় নয়।

সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত হবে কোনো ধরনের নিশ্চয়তা ছাড়াই শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো, যখন ভারত জানে যে তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভারত তখন শুধু একটি প্রত্যর্পণ চুক্তি বাস্তবায়ন করেছে বলে নিজেদের দায় এড়িয়ে যেতে পারবে না, বিশেষ করে যদি আন্তর্জাতিক মহলের একটি বড় অংশ মনে করে যে তাঁর বিচার রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়েছে।

শেখ হাসিনার ১৭ বছরের শাসনামল নিয়ে কারও মূল্যায়ন যা-ই হোক না কেন, ভারতকে তাঁর ন্যায়বিচারের অধিকার, আপিলের সুযোগ, আইনজীবীর সহায়তা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি নিয়ে বিশ্বাসযোগ্য নিশ্চয়তা চাইতে হবে।

আবার অনির্দিষ্টকালের আশ্রয়ও নয়

অন্যদিকে ভারত শেখ হাসিনাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রাজনৈতিক আশ্রয়ে রেখে দেবে, সেটিও টেকসই সমাধান নয়।

ভারতের মাটিতে থেকে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি করেছে। গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার পর বাংলাদেশ তীব্র আপত্তি জানায়। ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়, এ ধরনের বক্তব্য দুই দেশের সম্পর্ককে অস্থিতিশীল করতে পারে।

এখানে ভারতের জন্য আরেকটি প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ব্যক্তি যদি ভারতে আশ্রয় পান, তাহলে সেই আশ্রয়ের সঙ্গে কি তাঁর নিজ দেশের সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার না করার শর্ত থাকা উচিত?

এর উত্তর অবশ্যই ইতিবাচক হওয়া উচিত। ভারত শেখ হাসিনাকে নিপীড়ন থেকে সুরক্ষা দিতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে স্পষ্ট করে দিতে পারে যে, ভারতের ভূখণ্ড বাংলাদেশে রাজনৈতিক আন্দোলন পরিচালনা বা সংগঠিত করার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

ভারতের সামনে কী কী পথ রয়েছে?

শেখ হাসিনাকে দ্রুত বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা ভারতের প্রথম সম্ভাব্য পথ। এতে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কিন্তু প্রত্যর্পণের পর যদি শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় এবং বিচারপ্রক্রিয়া আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এ ছাড়া কোনো বিনিময় বা কূটনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত না করেই শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করলে ভারত তার গুরুত্বপূর্ণ একটি কূটনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগও হারাতে পারে।

দ্বিতীয় পথ হলো প্রত্যর্পণ অনির্দিষ্টকালের জন্য বিলম্বিত করা। চলমান আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে এটি কিছুটা যুক্তিসঙ্গত হতে পারে। কিন্তু কূটনৈতিকভাবে দীর্ঘমেয়াদে এটি টেকসই নয়। এতে শেখ হাসিনা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের স্থায়ী বিরোধের কারণ হয়ে উঠতে পারেন। এমনকি ঢাকার পক্ষ থেকেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রায় প্রতিটি বিষয়ে তাঁর প্রত্যর্পণের বিষয়টি যুক্ত করার প্রবণতা তৈরি হতে পারে।

তৃতীয় এবং তুলনামূলকভাবে বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে শর্তসাপেক্ষ সমঝোতা।

ভারতের উচিত বাংলাদেশের সঙ্গে নীরবে ও নিবিড়ভাবে আলোচনা করা। এমন একটি সমঝোতার চেষ্টা করা যেতে পারে, যেখানে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে বিচারপ্রক্রিয়ার মুখোমুখি হবেন, তবে সেই বিচার হতে হবে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য আইনি মানদণ্ড অনুযায়ী।

বিশেষ করে মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি স্পষ্টভাবে সমাধান করা প্রয়োজন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার নিশ্চয়তার পাশাপাশি ন্যায়বিচারের অধিকার, আইনজীবীর সুযোগ এবং যথাযথ বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা গেলে পুরো পরিস্থিতির সমীকরণই বদলে যেতে পারে।

রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তনশীল

আরেকটি বিষয় ভারতকে বিবেচনায় রাখতে হবে। বাংলাদেশের বর্তমান সরকার শক্তিশালী হলেও দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়।

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ এখনো অনির্ধারিত। আওয়ামী লীগ সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাতের মাত্রাও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমঝোতা ও নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে ভারতকে এমন কোনো অপরিবর্তনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত, যার পরিণতি পরে সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

তবে অপেক্ষা করার অর্থ নিষ্ক্রিয় থাকা নয়।

ভারতের একই সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা প্রয়োজন। শেখ হাসিনার বিষয়টিকে ভারত-বাংলাদেশের সামগ্রিক সম্পর্ক থেকে আলাদা রাখতে হবে।

দুই দেশের সম্পর্কের সঙ্গে বাণিজ্য, যোগাযোগ, পানি বণ্টন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, জ্বালানি, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ এবং চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত। একজন ব্যক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিরোধের কারণে এত বড় একটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে রাখা কোনো পক্ষের জন্যই লাভজনক নয়।

বন্ধুত্ব নয়, রাষ্ট্রীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার

শেখ হাসিনাকে ভারত কীভাবে সামলায়, তা শুধু বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশও বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে ভারতকে দেখাতে হবে, তারা ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব ও রাষ্ট্রীয় কৌশলের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে কি না। আইন ও রাজনৈতিক সুবিধার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে পারে কি না। একই সঙ্গে কৌশলগত ধৈর্য এবং সিদ্ধান্তহীনতার পার্থক্যও স্পষ্ট করতে হবে।

শেখ হাসিনার বিষয়ে ভারতের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ হতে পারে এমন একটি সমাধান খোঁজা, যেখানে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কও রক্ষা পাবে, আইনি প্রক্রিয়াও সম্মানিত হবে এবং ভারতের নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

শেষ পর্যন্ত বিষয়টি শুধু শেখ হাসিনাকে কোথায় রাখা হবে, তার প্রশ্ন নয়। এটি ভারত কীভাবে একটি পরিবর্তিত বাংলাদেশের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক গড়ে তুলবে, তারও একটি বড় পরীক্ষা।

সূত্রঃ ফাস্ট পোস্ট

এই শাখার আরও খবর

সিঁড়িতে মা-মেয়ের ক্ষতবিক্ষত লাশ, চার মৃতদেহের বর্ণনা দিতেও ভয় পাচ্ছেন স্বজনরা

মেলবোর্ন, ২৩ আগষ্ট- রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক হিন্দু শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধারের…

হিন্দু শিক্ষকের বাড়ি থেকে স্ত্রী-সন্তানসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার, সবার শরীরে আঘাতের চিহ্ন

মেলবোর্ন, ২৩ আগষ্ট- রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে…

নির্যাতন বন্ধে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণনয়নের দাবি বিএসপির

মেলবোর্ন, ২৩ আগষ্ট- বাংলাদেশে বসবাসরত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জানমাল, ধর্মীয় উপাসনালয়, সম্পদ, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন এবং…

রামু সেনানিবাস আধুনিকায়নে ১,৩১১ কোটি টাকা, বাড়ছে সামরিক সক্ষমতা

মেলবোর্ন, ২৩ আগষ্ট- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার এবং সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে কক্সবাজারের রামু সেনানিবাসের অবকাঠামো সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে ১ হাজার ৩১১ কোটি ৫৩ লাখ টাকার…

কলকাতার সেই হোটেলের মালিক গ্রেপ্তার

মেলবোর্ন, ২৩ আগষ্ট- কলকাতার ধর্মতলার মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হোটেলটির মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের বেহালার…

বিশ্বজুড়ে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্প, যা বলছেন ভূতত্ত্ববিদেরা

মেলবোর্ন, ২৩ আগষ্ট- বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলতি বছর একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে ভূমিকম্পের ঝুঁকি। কোথাও প্রাণহানি, কোথাও হাজারো…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au