এনএসআইয়ের দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ গ্রহণ, চাঁদাবাজি, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের পৃথক অভিযোগে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।…
ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি জ্যাভলিন ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে টাটা গ্রুপ। এ লক্ষ্যে টাটা গ্রুপের প্রতিরক্ষা খাতের প্রতিষ্ঠান টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস লিমিটেডের (টিএএসএল) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে জ্যাভলিন জয়েন্ট ভেঞ্চার (জেজেভি)।
সোমবার এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। জেজেভি হলো যুক্তরাষ্ট্রের দুই শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন ও রেথিয়নের অংশীদারত্বে গঠিত একটি যৌথ উদ্যোগ।
চুক্তির ফলে ভারতে জ্যাভলিন ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন ও বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখবে টিএএসএল ও জেজেভি।
টাটা গ্রুপ জানিয়েছে, সমঝোতা স্মারকের আওতায় ভারতে জ্যাভলিনের ‘অল আপ রাউন্ড’ (এইউআর), অর্থাৎ সম্পূর্ণ সংযোজিত ক্ষেপণাস্ত্র এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম তৈরির জন্য একটি উৎপাদনকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে। পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্রটির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ভারতে উৎপাদনের সুযোগও খতিয়ে দেখা হবে।
ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও কারিগরি দক্ষতা পর্যালোচনার পর জ্যাভলিন জয়েন্ট ভেঞ্চার টিএএসএলকে তাদের প্রধান অংশীদার হিসেবে বেছে নিয়েছে।
টাটার সঙ্গে এই চুক্তির কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জ্যাভলিন ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয়ে একটি ‘লেটার অব অফার অ্যান্ড অ্যাকসেপ্টেন্স’ (এলওএ) চুক্তি স্বাক্ষর করে ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী।
ওই চুক্তি অনুযায়ী, ভারত যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ১০০টি জ্যাভলিন ক্ষেপণাস্ত্র ও ২৫টি লঞ্চার কেনার আগ্রহ জানিয়েছে।
তবে ভারতীয় প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতীয় বাহিনীর জ্যাভলিন কেনার চুক্তির সঙ্গে টাটা ও জ্যাভলিন জয়েন্ট ভেঞ্চারের মধ্যে হওয়া উৎপাদন-সংক্রান্ত সমঝোতার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
জ্যাভলিন একটি কাঁধে বহনযোগ্য ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। এটি ট্যাংক, সাঁজোয়া যান এবং সুরক্ষিত সামরিক অবস্থান ধ্বংসে ব্যবহার করা হয়।
জ্যাভলিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ প্রযুক্তি। অর্থাৎ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা পর্যন্ত সেটিকে অপারেটরের মাধ্যমে আলাদাভাবে নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
সাধারণ অনেক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে উৎক্ষেপণের পরও লক্ষ্যবস্তুর দিকে সেটির গতিপথ নিয়ন্ত্রণ বা নির্দেশনা দিতে হয়। জ্যাভলিনের ক্ষেত্রে এই প্রয়োজন নেই।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ট্যাংক বিধ্বংসী অস্ত্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে জ্যাভলিন। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশ এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও ইউক্রেনীয় বাহিনী ব্যাপকভাবে জ্যাভলিন ব্যবহার করেছে। যুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ে রুশ সাঁজোয়া যান ও ট্যাংকের বিরুদ্ধে এই অস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সূত্র : ফার্স্টপোস্ট
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au