নতুন পরিচয়ে হানিয়া আমির, গানে থাকছে বড় চমক
অভিনয়ের পর এবার গানের জগতে অভিষেক হলো পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমিরের। গত বুধবার প্রকাশ পেয়েছে তাঁর প্রথম গান ‘পাবলো’। প্রায় এক দশকের অভিনয়জীবন পেরিয়ে…
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক ও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ভবনটিতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলানা আল-আমিন এবং প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মো. মনিরুজ্জামান মনির।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) নির্যাতনের শিকার শিশুটির মা মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আল-আমিন ও মাওলানা মো. মনিরুজ্জামান মনিরকে গ্রেফতার করে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মির্জাপুর পৌরসভার বংশাই রোডের একটি ভাড়া করা ভবনে মারকাজুল উম্মা হাফেজিয়া মাদ্রাসাটি পরিচালিত হয়ে আসছিল। মাদ্রাসাটিতে দুই শতাধিক শিশু শিক্ষার্থী আবাসিক হিসেবে থেকে পড়াশোনা করে।
অভিযোগে বলা হয়, মাদ্রাসার নাজেরা শাখার এক শিশু শিক্ষার্থীকে একটি কক্ষে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলাৎকার করেন শিক্ষক হাফেজ মাওলানা আল-আমিন। ঘটনার পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানায় সে।
শিশুর কাছ থেকে ঘটনা জানার পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে শুক্রবার সকালে শিশুটির মা মির্জাপুর থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।
পুলিশ অভিযোগটি পাওয়ার পর ঘটনাটি তদন্তে নামে এবং অভিযুক্ত শিক্ষক আল-আমিনকে গ্রেফতার করে। একই সঙ্গে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মো. মনিরুজ্জামান মনিরকেও গ্রেফতার করা হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে মাদ্রাসাটিতে থাকা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে মাদ্রাসার ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
মির্জাপুর থানার ডিউটি অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর অভিযুক্ত শিক্ষক ও মাদ্রাসার পরিচালককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেফতার দুজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মাদ্রাসায় আবাসিকভাবে থাকা শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের পরই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সত্যতা ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au