ব্লাস্ট ফার্নেস বন্ধ, চাকরি হারাবেন ৫০০-এর বেশি কর্মী
অস্ট্রেলিয়ার সাউথ অস্ট্রেলিয়া অঙ্গরাজ্যের ওয়াইয়ালা স্টিলওয়ার্কসের ব্লাস্ট ফার্নেস বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে কারখানাটির ৫০০ জনের বেশি কর্মী চাকরি হারাতে পারেন। লোহা আকরিককে ইস্পাতে…
যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও ইউরোপের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বহনকারী ট্রেন সীমান্ত অতিক্রম করার পরপরই পোল্যান্ড সীমান্তসংলগ্ন ইউক্রেনের ইয়াগোদিন রেলওয়ে স্টেশনে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। হামলায় একটি ট্রেনের ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যাত্রীদের আগেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, কিয়েভে অনুষ্ঠিত একটি নিরাপত্তা সম্মেলন শেষে ফেরার পথে বরিস জনসন, যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জোনাথন পাওয়েলসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা একই রেলপথ দিয়ে অন্য একটি ট্রেনে করে ওই এলাকা অতিক্রম করেন।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পশ্চিম ইউক্রেনের রেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথা নিশ্চিত করেছে। তবে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে সংস্থা উকরজালিজনিৎসিয়া বলেছে, রুশ ড্রোনের সম্ভাব্য লক্ষ্য ছিল কূটনীতিকদের বহনকারী ট্রেনটি।
পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য পোল্যান্ড জানিয়েছে, দুই দেশের সীমান্ত থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার ভেতরে ইউক্রেনের একটি ট্রেনের লোকোমোটিভে রুশ ড্রোন আঘাত হানে। ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলের এই এলাকাটি মূল যুদ্ধক্ষেত্র এবং রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ বা দাবিকৃত পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চল থেকে শত শত কিলোমিটার দূরে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পূর্ণমাত্রায় শুরু হওয়ার পর থেকে ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে মাঝেমধ্যে রুশ হামলা হলেও পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে হামলার ঘটনা বিরল।
হামলার বিষয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রশ্নের জবাবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, তিনি যতটুকু বুঝেছেন, এটি ইউক্রেনের ভূখণ্ডের ভেতরের ঘটনা। রুশ সামরিক বাহিনী ইউক্রেনজুড়ে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করছে এবং তা অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।
কিয়েভ ও ওয়ারশ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হননি বলে জানানো হয়েছে। ইউক্রেনের দাবি, হামলার সময় পশ্চিমা বিশ্বের শীর্ষ কর্মকর্তা ও কূটনীতিকদের বহনকারী একটি ট্রেন অল্পের জন্য রক্ষা পায়। কূটনৈতিক ট্রেনকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ নিয়ে পেসকভ সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
হামলার ঘটনাকে গুরুতর উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে দেখছে ইউক্রেনের অন্যতম প্রধান মিত্র পোল্যান্ড। বিষয়টি পর্যালোচনায় রোববার সন্ধ্যায় জরুরি বৈঠক ডেকেছে দেশটির সরকার।
পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক বলেন, সীমান্ত এলাকাগুলোতে রাশিয়া হামলা চালাতে পারে, এমন তথ্য আগেই তাদের কাছে ছিল। তাঁর ভাষায়, রাশিয়ার পরিকল্পনায় ইউক্রেনের সীমান্তকেন্দ্রগুলোকে অচল, বিশৃঙ্খল বা ধ্বংস করার চেষ্টা থাকতে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পোল্যান্ডের ওপরও পড়বে।
এর আগে গত সপ্তাহে মলদোভা সীমান্তসংলগ্ন একটি ইউক্রেনীয় সীমান্তচৌকিতে রুশ হামলায় দুজন নিহত হন বলে জানিয়েছিল কিয়েভ।
সোমবার এক বিবৃতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বলেছে, ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় রাশিয়ার এসব হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো পশ্চিমা দেশগুলোকে ইউক্রেনকে সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত রাখতে ভয় দেখানো।
সূত্র: বিবিসি, এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au