বাংলাদেশ

ভারত-চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্কে ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ

  • 12:31 pm - September 16, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১০৮ বার
ভারত-চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্কে ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ।ছবিঃ সংগৃহীত

ভারত ও চীনের সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি জাপান ও তুরস্কের সঙ্গেও সম্পর্ক জোরদার করছে বাংলাদেশ। একাধিক দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব বাড়িয়ে সামরিক সক্ষমতা উন্নত করার সুযোগ তৈরি হলেও এতে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন কতটা বাড়বে, নাকি বিভিন্ন দেশের ওপর নতুন করে নির্ভরতা তৈরি হবে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

বাংলাদেশের সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ ভারত ও চীনের মধ্যে কোনো এক পক্ষকে বেছে নেওয়া নয়, বরং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এমনভাবে পরিচালনা করা, যাতে দেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন থাকে।

ছয় দিনের ব্যবধানে ভারত ও চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা আলোচনা

গত ৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে সামরিক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা বিনিময়, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নে চীনের সহায়তার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ওই দিন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এর ছয় দিন পর, ৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ, সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও বিনিময়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, আঞ্চলিক শান্তি এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো বিষয় উঠে আসে।

ওই দিন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

লেখকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দুই দেশের সঙ্গে এসব বৈঠক এককভাবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বড় কোনো পরিবর্তনের প্রমাণ নয়। কারণ ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে। তবে কাছাকাছি সময়ে দুই দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা আলোচনা এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কৌশলগত ভারসাম্যের ওপর জোর দেওয়ার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ।

কৌশলগত ভারসাম্যের নীতি

গত ১০ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সার্বভৌম সমতা, কৌশলগত ভারসাম্য এবং কোনো একক শক্তি বা জোটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এড়িয়ে চলার নীতি অনুসরণ করবে।

এই নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। তবে লেখকের মতে, শুধু অংশীদারের সংখ্যা বাড়ালেই কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত হয় না।

বরং কোন দেশের সঙ্গে কোন ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হবে এবং সেই সহযোগিতা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতাকে কতটা প্রভাবিত করবে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

চীনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সামরিক সহযোগিতা

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নে চীনের ভূমিকা দীর্ঘদিনের। কয়েক দশক ধরে চীনা উৎসের যুদ্ধবিমান, নৌযান, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীতে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে চীন থেকে আরও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের বিষয়েও আলোচনা চলছে। এর মধ্যে জে-১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার সংগ্রহের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য।

অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ধরন কিছুটা ভিন্ন। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা অংশীদার। দুই দেশের দীর্ঘ স্থলসীমান্ত ও অভিন্ন সামুদ্রিক পরিবেশ রয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমন এবং সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগের মতো ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে।

অস্ত্র কেনার পরও থেকে যায় দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরতা

বিশ্লেষণে সামরিক সরঞ্জাম কেনার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরতার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

একটি যুদ্ধবিমান, সাবমেরিন বা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার পর শুধু ক্রয়মূল্য পরিশোধ করলেই এর ব্যবহার শেষ হয় না। এসব সরঞ্জামের জন্য দীর্ঘদিন খুচরা যন্ত্রাংশ, গোলাবারুদ, কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ, সফটওয়্যার, রক্ষণাবেক্ষণ এবং আধুনিকায়ন প্রয়োজন হয়।

ফলে কোনো একটি দেশের কাছ থেকে অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি সংগ্রহ করলে সংশ্লিষ্ট দেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরতা তৈরি হতে পারে।

  বিষয়টি শুধু চীনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, রাশিয়া, তুরস্ক বা ভারত থেকে সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করলেও একই ধরনের নির্ভরতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষ করে জে-১০সিই যুদ্ধবিমান সংগ্রহ করা হলে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র, রক্ষণাবেক্ষণ, রাডার সমন্বয়, সফটওয়্যার এবং ভবিষ্যৎ আধুনিকায়নের বিষয়গুলোও বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে বাড়ছে কৌশলগত চাপ

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানও প্রতিরক্ষা নীতিকে আরও জটিল করে তুলছে। বঙ্গোপসাগর বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশলগত প্রতিযোগিতার সঙ্গে ক্রমেই বেশি যুক্ত হচ্ছে।

ভারত ভারত মহাসাগরকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে। একই সময়ে চীনের অর্থনৈতিক ও সামুদ্রিক উপস্থিতি বাড়ায় এই অঞ্চলে বেইজিংয়ের আগ্রহও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ অবস্থায় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সিদ্ধান্তগুলোকে অন্য দেশগুলো বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যাখ্যা করতে পারে। চীনের কাছ থেকে সাবমেরিন বা সামরিক সরঞ্জাম কেনাকে চীনের সামুদ্রিক প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত করা হতে পারে। আবার ভারতের সঙ্গে নৌ মহড়া বা সামুদ্রিক সহযোগিতাকে ভারতকেন্দ্রিক নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবেও দেখা হতে পারে।

তবে লেখকের মতে, বাংলাদেশের উচিত প্রতিটি সহযোগিতার উদ্দেশ্য স্পষ্ট রাখা। ভারতের সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলা, অনুসন্ধান ও উদ্ধার বা সামুদ্রিক নিরাপত্তায় সহযোগিতা করা মানেই চীনের বিরুদ্ধে কোনো কৌশলে যুক্ত হওয়া নয়। একইভাবে চীনের কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনার অর্থও ভারতের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করা নয়।

জাপান ও তুরস্কের সঙ্গেও বাড়ছে সহযোগিতা

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক ভারত ও চীনকেন্দ্রিক থাকছে না। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর, যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সামরিক বিশেষজ্ঞ বিনিময়ের কাঠামো তৈরির বিষয়ে চুক্তি হয়েছে।

তুরস্কের সঙ্গেও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ রয়েছে। ঢাকা ও আঙ্কারা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্পভিত্তিক সম্পর্ক গভীর করার বিষয়ে আলোচনা করেছে।

এতে বাংলাদেশের সামনে বিভিন্ন উৎস থেকে সামরিক প্রযুক্তি ও সক্ষমতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তবে বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, অংশীদারের সংখ্যা বাড়লেই নির্ভরতা কমে যায় না।

চীনের একটি বিমানব্যবস্থা, তুরস্কের অন্য কোনো প্রযুক্তি, জাপানের নির্দিষ্ট সামরিক সরঞ্জাম এবং ভারতের প্রশিক্ষণ বা সামুদ্রিক সহযোগিতার ওপর আলাদা আলাদা নির্ভরতা তৈরি হলে বাংলাদেশের সামনে একাধিক নির্ভরতার কাঠামো তৈরি হতে পারে।

বেশি অংশীদার মানেই বেশি স্বায়ত্তশাসন নয়

বিভিন্ন দেশের সামরিক সরঞ্জাম একসঙ্গে ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিছু পরিচালনাগত সমস্যা তৈরি হতে পারে। আলাদা দেশের অস্ত্র ব্যবস্থার জন্য আলাদা গোলাবারুদ, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশিক্ষণ এবং সরবরাহব্যবস্থা প্রয়োজন হতে পারে।

ফলে রাজনৈতিকভাবে প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের বৈচিত্র্য বাড়লেও সামরিকভাবে তা সবসময় সহজ বা ব্যয়সাশ্রয়ী নাও হতে পারে।

লেখকের মতে, বাংলাদেশের লক্ষ্য হওয়া উচিত সর্বোচ্চ সংখ্যক সরবরাহকারী তৈরি করা নয়। বরং এমন পর্যাপ্ত বিকল্প তৈরি করা, যাতে কোনো একটি দেশ বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য হয়ে না ওঠে এবং একই সঙ্গে দেশের সামরিক কাঠামো আর্থিক ও পরিচালনাগতভাবে টেকসই থাকে।

নিজেদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিদেশি অংশীদারদের প্রস্তাব গ্রহণের আগে বাংলাদেশের নিজেদের প্রতিরক্ষা অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা প্রয়োজন। কোন সামরিক সক্ষমতা প্রয়োজন, কোন ক্ষেত্রে বিদেশি নির্ভরতা গ্রহণযোগ্য, কোথায় দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো দরকার এবং কোন সংবেদনশীল সক্ষমতা দেশের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত, এসব বিষয়ে স্পষ্ট পরিকল্পনা থাকা জরুরি।

তা না হলে বিদেশি দেশগুলোর প্রস্তাবই বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতার কাঠামো নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

লেখকের মতে, কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শুধু একাধিক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার বিষয় নয়। প্রতিটি প্রতিরক্ষা চুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা কতটা বাড়াবে বা সীমিত করবে, সেটিও হিসাবের মধ্যে রাখতে হবে।

সার্বিকভাবে বিশ্লেষণটির মূল বক্তব্য হলো, বাংলাদেশের জন্য ভারত বা চীনের মধ্যে কোনো একটি পক্ষ বেছে নেওয়াই একমাত্র প্রশ্ন নয়। বরং ভারত, চীন, জাপান, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বাড়ানোর পরও বাংলাদেশ ভবিষ্যতে নিজের প্রয়োজন ও জাতীয় স্বার্থ অনুযায়ী কতটা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, সেটিই হবে এই কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

সুত্রঃ দ্য ডেইলি স্টার

এই শাখার আরও খবর

সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু সর্বোচ্চ

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ দ্রুত বাড়ছে। চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৬ দিনেই ডেঙ্গুতে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা চলতি বছরে এক মাসে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।…

অফ-সিজনে মাউন্ট ফুজিতে উদ্ধার অভিযানে ফি নেবে জাপান

জাপানের বিখ্যাত মাউন্ট ফুজিতে পর্যটনের ব্যস্ত মৌসুমের বাইরে ওঠার সময় কেউ বিপদে পড়লে হেলিকপ্টারে উদ্ধার করতে হলে তার কাছ থেকে খরচ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে দেশটির…

স্টুডেটদের পরিবার আনা কঠিন করছে অস্ট্রেলিয়া

অভিবাসন কমাতে অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যদের দেশটিতে নিয়ে আসার সুযোগ কার্যত সীমিত করার পরিকল্পনা করছে সরকার। নতুন অভিবাসন ব্যবস্থার আওতায় সাময়িক ভিসার সংখ্যা কমানো,…

নতুন গঙ্গা চুক্তিতে পানির নিশ্চয়তা চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। আগামী ডিসেম্বরেই চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার…

৪২ দিনের ব্যবধানে একই হাসপাতালে আবারও আগুন

সাতক্ষীরার চৌরঙ্গী মোড়ে অবস্থিত বেসরকারি ব্লিস হাসপাতালে ৪২ দিনের ব্যবধানে আবারও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে হাসপাতালের অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখার স্থান…

বাস দুর্ঘটনার খবর সংগ্রহে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৩

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেসে বাস দুর্ঘটনার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে একটি সংবাদ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় চ্যাটসওয়ার্থ এলাকায় এ…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au