“লিবারেল পার্টির সাবেক রাজনীতিক ব্রুস বেয়ার্ড ৮৪ বছর বয়সে মারা গেছেন।”
— জেমস অ্যালকক
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক লিবারেল রাজনীতিক ও মন্ত্রী ব্রুস বেয়ার্ড মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। ২০০০ সালের সিডনি অলিম্পিক আয়োজনের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সফল প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
দুই দশকের রাজনৈতিক জীবনে বেয়ার্ড অস্ট্রেলিয়ার অঙ্গরাজ্য ও ফেডারেল উভয় পর্যায়েই দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি নিউ সাউথ ওয়েলস (এনএসডব্লিউ) অঙ্গরাজ্যের পার্লামেন্টে নর্থকট আসনের প্রতিনিধিত্ব করেন।
এ সময় গ্রেইনার ও ফাহি সরকারের মন্ত্রিসভায় পরিবহন, সড়ক ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন বেয়ার্ড। তাঁর দায়িত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল সিডনির অলিম্পিক আয়োজনের বিড বা প্রার্থিতা তদারক করা। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তিনি এনএসডব্লিউ লিবারেল পার্টির উপনেতাও ছিলেন।
অঙ্গরাজ্যের রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার পর ১৯৯৮ সালে ফেডারেল পার্লামেন্টে প্রবেশ করেন বেয়ার্ড। ২০০৭ সাল পর্যন্ত কুক আসনের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। লিবারেল পার্টির অভ্যন্তরে তাঁকে অপেক্ষাকৃত মধ্যপন্থী নেতা হিসেবে দেখা হতো।

“দুই দশকের রাজনৈতিক জীবনে তিনি অঙ্গরাজ্য ও ফেডারেল উভয় পর্যায়ের রাজনীতিতে দায়িত্ব পালন করেছেন।”
— র্যাচেল সিম্পসন
ফেডারেল পার্লামেন্টে থাকাকালে তিনি একাধিক সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্বও করেন তিনি।
রাজনীতি ছাড়ার পর পর্যটন, ব্যবসা ও শিল্প-সংস্কৃতির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বোর্ড সদস্য ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বেয়ার্ড।

“সিডনিতে ২০০০ সালের অলিম্পিক আয়োজনের অধিকার নিশ্চিত করতে বেয়ার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।”
— ডিন সেওয়েল
২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘মেম্বার অব দ্য অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া’ (AM) পান তিনি।
ব্রুস বেয়ার্ডের দুই সন্তানও নিজ নিজ ক্ষেত্রে পরিচিত। তাঁর ছেলে মাইক বেয়ার্ড নিউ সাউথ ওয়েলসের সাবেক প্রিমিয়ার এবং মেয়ে জুলিয়া বেয়ার্ড একজন সাংবাদিক।
সূত্র: নাইন.কম.এইউ