তুরস্কে সড়ক দুর্ঘটনায় গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানা
তুরস্কে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানা। দুর্ঘটনার পর তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, ক্যামেরুনের এই গোলরক্ষক ও…
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতে বাধা দেওয়ায় ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিমকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্রটি জমা দেওয়া হয়। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম তুহিন, মোজাফ্ফর হোসেন ফাহাদ ও কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে সিয়ামের বিরুদ্ধে হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্ত অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে সাইফুল ইসলাম তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়সংলগ্ন সানন্দা এলাকার একটি নির্জন বনে যায়। সেখানে অপ্রতিমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে সে বাধা দেয়। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে তুহিন প্রথমে এবং পরে মোজাফ্ফর হোসেন ফাহাদ ও কামরুল হাসান বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করে। এতে তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছে পুলিশ।
পুলিশের তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদ ও কামরুলকে আটক করা হয়। এ ছাড়া তুহিনের বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রতিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল তার মোবাইল ফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
নিহত ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার একজন ব্যবসায়ী।
অপ্রতিমের বাবা ও মামলার বাদী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, বৃহস্পতিবার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাঁকে জানিয়েছেন, আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। ছেলেকে ঘিরেই তাঁদের বেঁচে থাকার স্বপ্ন ছিল, কিন্তু হত্যাকারীরা সেই স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে। তিনি দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি আসামিরা যেন বয়সের বিষয়টিকে কাজে লাগিয়ে বিচার এড়িয়ে যেতে না পারে, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au