সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের জানাজায় লাখো মানুষের আবেগঘন উপস্থিতি
মেলবোর্ন, ৯ জুন- গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার চারবারের নির্বাচিত সাবেক মেয়র ও গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি আনিছুর রহমানের জানাজায় মানুষের ঢল নেমেছে।…
মেলবোর্ন, ২৩ এপ্রিল— মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্র-ভারত অংশীদারত্বকে বৈশ্বিক অগ্রগতির মূল বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যদি দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ২১শ শতাব্দী ‘গোটা মানবজাতির জন্য একটি অন্ধকার সময়’ হয়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করেন এবং বাণিজ্য আলোচনা সম্পর্কে অগ্রগতি তুলে ধরেন।
ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জয়পুর সফরের সময় মঙ্গলবার ভ্যান্স এসব কথা বলেন। এসময় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট তার বক্তৃতায় ভারতের ‘অসাধারণ’ সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। রয়টার্স ও গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে ভ্যান্সের এ বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।
চার দিনের সফরে জেডি ভ্যান্স তার স্ত্রী এবং তিন সন্তানসহ বর্তমানে ভারতে রয়েছেন। তার
স্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জয়পুর শহরে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক এবং সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ভ্যান্স বলেন, ‘আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে ২১শ শতাব্দীর ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত অংশীদারত্বের শক্তির মাধ্যমে। কিন্তু আমি এটাও বিশ্বাস করি, যদি আমরা একসঙ্গে সফলভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হই, তাহলে ২১শ শতাব্দী গোটা মানবজাতির জন্য একটি অন্ধকার সময় হয়ে উঠতে পারে।’
ভারতকে একটি উঠতি শক্তি হিসেবে প্রশংসা করে ভ্যান্স বলেন, ভারত তার জাতীয় পরিচয়ে আত্মবিশ্বাসী এবং ‘অসীম সম্ভাবনার অনুভূতি’ রাখে, যা পশ্চিমের তুলনায় অনেকটাই আলাদা।
ট্রাম্পের শুল্ক নীতির কারণে বৈশ্বিক বাণিজ্যে যে ভারসাম্য পুনর্গঠন হচ্ছে, তা ‘ভারতের জনগণের জন্য দারুণ সুফল নিয়ে আসবে’, বলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট।
তার এসব মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাড়ি, কৃষিপণ্য এবং অন্যান্য পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ নিয়ে ভারতের সমালোচনা করেছেন।
ভ্যান্স জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে আরও জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রি করতে চায় যাতে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের নিয়মিত সামরিক মহড়ার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র থেকে, যেমন লকহিড মার্টিনের এফ-৩৫ ফাইটার জেট, আরও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনা ভারতের জন্য স্বাভাবিক একটি পদক্ষেপ হবে।
‘আমরা অবশ্যই আরও সহযোগিতা করতে চাই। আমরা আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চাই এবং চাই আপনার দেশ আমাদের আরও সামরিক সরঞ্জাম কিনুক’—বলেন ভ্যান্স।
ভ্যান্স উল্লেখ করেছেন যে, ভারত একটি আকর্ষণীয় উৎপাদন কেন্দ্র হয়ে উঠছে। বিশেষত যখন যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যের উওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করছে। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির কারণে বৈশ্বিক বাণিজ্যে যে পরিবর্তন আসছে, তা ভারতের জন্য ব্যাপক সুবিধা বয়ে আনবে। বৈশ্বিক বাণিজ্যের পুনর্বিন্যাস ভারতের জনগণের জন্য চমৎকার সুবিধা নিয়ে আসবে।
ভ্যান্স ট্রাম্পের “ড্রিল, বেবি, ড্রিল” স্লোগান তুলে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের তেল এবং গ্যাস রপ্তানি ভারতের উত্থানে সহায়ক হতে পারে।
কিছু পশ্চিমী নেতাদের সম্পর্কে ভ্যান্স বলেন, মানবতা সর্বদা একটি ভুল সিদ্ধান্তের দূরত্বে বিপর্যয়ের সম্মুখীন। তারা আমাদের বলেন, পৃথিবী শিগগির শেষ হয়ে যাবে, কারণ আমরা খুব বেশি জ্বালানি পোড়াচ্ছি, বেশি পণ্য উৎপাদন করছি বা বেশি সন্তান নিচ্ছি।
তিনি প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে ইউরোপীয় মিত্রদের সমালোচনা করেছেন। তিনি এও বলেছেন যে গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৌশলগত দাবি রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au