পারেদেসকে লাল কার্ড দেওয়ার খবর নাকচ করলো ফিফা
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই- ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন ও আর্জেন্টিনার ম্যাচ শেষে সংঘর্ষের ঘটনায় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার লিয়েন্দ্রো পারেদেসকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে বলে যে খবর ছড়িয়ে…
সমালোচিত মোহামেডানকে হারিয়ে নিজের আধিপত্য বজায় রাখলেন আবাহনী লিমিটেড।এবারের আসরে অনেকের ধারণাই ছিলো আবাহনীর হয়তো সুপার লিগে যেতেও বেশ বেগ পেতে হবে,কেননা পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আবাহনীকে এবার গড়তে হয়েছিল কম বাজেটের টিম।তবে এই কম বাজেটের টিম নিয়ে কোচ হান্নান সরকার দেখালেন মুন্সিয়ানা।অন্যদিকে তারকাবহুল দল গড়েও শেষ হাসি হাসা হলো না মোহামেডানের।
ফাইনালের মঞ্চে রিয়াদের ব্যাট হাসলেও তা দলের জন্য পর্যাপ্ত ছিল না।মূলত ফিনিশিংয়ের অভাবে মোহামেডানকে ৫০ ওভারে ২৪০ রান করেই থামতে হয়।
এদিকে ব্যাটিং-বোলিং ২ বিভাগেই সমানতালে পারফরমেন্স করে নিজেদের শিরোপা পুনরুদ্ধার করলো আবাহনী লিমিটেড,যার নেতৃত্বে ছিলেন মোসাদ্দেক সৈকত।
মোহামেডানের বিপক্ষে টসে জিতে আবাহনী অধিনায়ক মোসাদ্দেক সৈকত বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।মোহামেডানের হয়ে এদিন ওপেনিংয়ে আসেন কাপ্তান রনি তালুকদার ও ব্যাটার তাওফিক তুষার।দুইজনে মিলে মোহামেডানের হয়ে দারুণ ভাবে ইনিংস সূচনা করে,করেন ৫০ ঊর্ধ্ব পার্টনারশীপ।একদিকে রনি তালুকদার করছিলেন মারমুখী ব্যাটিং অন্যদিকে তাওফিক তুষার কাপ্তানকে দিচ্ছিলেন যোগ্য সমর্থন।
ক্রমেই আক্রমনাত্মক হয়ে ওঠা ৫০ রানের জুটিটি ভাঙেন বোলার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।মৃত্যুঞ্জয়কে পয়েন্ট অঞ্চল উড়িয়ে খেলতে গিয়ে ১৬ রান করেই আউট হয়ে ফিরে যান তুষার।এর কিছুক্ষণ পরেই কাপ্তান রনি তালুকদারকেও প্যাভিলিয়নের পথ দেখান বোলার রিপন মণ্ডল।উড়তে থাকা মোহামেডানের কিছুটা ছন্দপতন।৪৬ বলে ৪৫ রানের কার্যকরী ইনিংস খেললেও দলকে কিছুটা চাপে ফেলে যান রনি।
এরপর তাওহিদ হৃদয়ের জায়গা ব্যাট করতে নামেন ফরহাদ হোসেনেরও বাজিমাত ৫৬ বলে খেলেন ৪২ রানের সময়উপযোগী এক ইনিংস।ফরহাদের আউটের পর মোহামেডানের হাল ধরেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও আরিফুল ইসলাম।দুইজনে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যেতে থাকে তবে আবাহনীর বোলিংয়ের সামনে সেভাবে পেরে উঠছিলনা এই দুই ব্যাটার।এরপর দুজনে ফিফটি তুলে নিলেও,পর্যাপ্ত ফিনিশিংয়ের অভাবে মোহামেডানকে থামতে হয় ২৪০ রানে।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হচট খায় আবাহনী,টেপটেনিস তারকা শাহরিয়ার কমলের উইকেট শুরুর ওভারেই তুলে নেন পেসার এবাদত।এরপর দলকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে থাকেন ইনফর্ম পারভেজ ইমন ও জিসান আলম।দুইজনে মিলে করেন ৫০ ঊর্ধ্ব পার্টনারশিপ।তবে দলীয় ৫৮ রানের মাথায় ডিপিএলে ২য় রান সংগ্রহক পারভেজ ইমনকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান সাইফউদ্দিন।বোর্ডে ১৯ রান যোগ করতে আবাহনীর আরও একটি উইকেটের পতন।নাসুমের স্পিনে কাটা পরেন মেহরাব।
এক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটার জিসান তুলে নেন ফিফটি,দলের রানও পার করান ১০০।কিন্তু মোমেন্টাম পাওয়া আবাহনীর আবারোও ছন্দপতন।৫৫ রান করতেই নাসুমের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন জিসান।এরপর কাপ্তান মোসাদ্দেক ও মিঠুন সময়ুপযোগী ব্যাটিং করে দলকে রাখেন জয়ের পথেই।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au